শুভেন্দুর ডাকে সাড়া দিয়ে সভায় উপস্থিত মমতার ভ্রাতৃবধূ, পাশে দেবাশিস কুমার - 24 Ghanta Bangla News
Home

শুভেন্দুর ডাকে সাড়া দিয়ে সভায় উপস্থিত মমতার ভ্রাতৃবধূ, পাশে দেবাশিস কুমার

Spread the love

পালাবদলের পর রাজ্য রাজনীতিতে পুরনিগম (Suvendu Adhikari at Municipality) ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডকে ঘিরে একের পর এক বিতর্ক এবং পাল্টা রাজনৈতিক বার্তার আবহ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।…

kajari-banerjee-and-jui-biswas-seen-at-suvendu-adhikaris-public-programme

পালাবদলের পর রাজ্য রাজনীতিতে পুরনিগম (Suvendu Adhikari at Municipality) ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডকে ঘিরে একের পর এক বিতর্ক এবং পাল্টা রাজনৈতিক বার্তার আবহ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে পুরনিগমের পক্ষ থেকে বিভিন্ন নোটিস জারি করা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে উঠে এসেছে অভিষেক বন্দ‌্যোপাধ‌্যায়-এর নাম। বিভিন্ন সংবাদ সূত্র ও রাজনৈতিক মহলের আলোচনায় দাবি করা হচ্ছে, পুরনিগমের তরফ থেকে বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত একাধিক নোটিস তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে।

যদিও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে বিষয়টি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শাসক দল এই ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ব্যাখ্যা করছে, অন্যদিকে বিরোধীরা এটিকে প্রশাসনিক স্বচ্ছতার অংশ হিসেবে তুলে ধরছে। এই বিতর্কের আবহেই আরও একটি রাজনৈতিক চমক নজরে এসেছে। সম্প্রতি একটি পুরনিগমের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন কাজরী বন্দ‌্যোপাধ‌্যায়।তিনি শুধু তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরই নন, বরং রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ‌্যোপাধ‌্যায় -এর ভ্রাতৃবধূ হিসেবেও পরিচিত। রাজনৈতিক মহলে তাঁর এই উপস্থিতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় শুভেন্দু অধিকারী এর উপস্থিতিতে, যেখানে তিনি আমন্ত্রণ জানিয়ে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন বলে জানা যায়। সেই অনুষ্ঠানে কেবল কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ই নন, আরও একাধিক তৃণমূল কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন জুই বিশ্বাস এবং দেবাশীয় কুমার সহ আরও কয়েকজন জনপ্রতিনিধি।

এই এক মঞ্চে বিরোধী শিবিরের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে শাসক দলের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে প্রশাসনিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ মনে করছেন এর পেছনে রয়েছে স্থানীয় স্তরের উন্নয়নমূলক কাজের বাস্তব প্রয়োজনীয়তা, যেখানে দলীয় রাজনীতির সীমারেখা কিছুটা হলেও শিথিল হয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *