Ayodhya Ram Mandir: রামলালার টাকা চুরি! অযোধ্যার রাম মন্দির থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও, তৈরি হল SIT | Ayodhya Ram Mandir Donation Row: SIT Formed by Uttar Pradesh Govt After Crores of rs Allegedly Go Missing - 24 Ghanta Bangla News
Home

Ayodhya Ram Mandir: রামলালার টাকা চুরি! অযোধ্যার রাম মন্দির থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও, তৈরি হল SIT | Ayodhya Ram Mandir Donation Row: SIT Formed by Uttar Pradesh Govt After Crores of rs Allegedly Go Missing

Spread the love

রাম মন্দিরের ডোনেশন উধাও!Image Credit: PTI

অযোধ্যা: রামলালার মন্দিরেই চুরি! অযোধ্যার রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) থেকে গায়েব হয়ে যাচ্ছে ভক্তদের দেওয়া প্রণামী (Donation)। ঘটনাটি সামনে আসতেই অস্বস্তিতে পড়েছে রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট। উত্তর প্রদেশ সরকার গঠন করেছে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (Special Investigation Team)। তারাই তদন্ত করে দেখবে যে রামলালার জন্য দেওয়া টাকা কোথায় গেল?

বিতর্ক শুরু হয়েছিল সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের মন্তব্য ঘিরে। তিনি প্রথম দাবি করেছিলেন যে রাম মন্দিরে দেওয়া ভক্তদের অনুদান থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে। তিনি আদালতকে এই বিষয়ে তদন্ত করতে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করতে আর্জি জানান। এরপরে প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ  ব্রিজভূষণ সরণ সিং-ও দাবি করেন যে তিনি ডোনেশন অপব্যবহার করার কথা জানেন, তবে এই বিষয়ে কিছু বলতে চান না।  বিষয়টি নিয়ে হইচই হতেই বিজেপি নেতা রাজনীশ সিং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখে রাম মন্দির ট্রাস্টের অর্থ, ডোনেশন, খরচ, ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট ও লেনদেনের হিসাব প্রকাশ করার হোক, এই দাবি জানান। উত্তর প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান অজয় রাই-ও হাইকোর্টের বিচাকের নেতৃত্বে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেন।

অযোধ্যার রাম মন্দির থেকে টাকা চুরি যাওয়ার খবর প্রকাশ হতেই বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ বিনয় কাটিয়ার জানান যে এই ঘটনার তদন্ত হওয়া দরকার। যারা অভিযুক্ত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে। এদিকে, উত্তর প্রদেশ সরকারের তরফেও জানানো হয়েছে যে সিট রাম মন্দিরের অনুদান ও আর্থিক ম্যানেজমেন্ট নিয়ে তদন্ত করবে।

গোটা ঘটনাটি প্রথম প্রকাশ্যে আসে যখন দেখা যায় রাম মন্দিরের ভিতরে রাখা ডোনেশন বাক্স থেকে টাকা উধাও হয়ে যাচ্ছে। একের পর এক ডোনেশন বাক্স থেকে টাকা গায়েব হয়ে যাওয়ার পরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট এর আলাদাভাবে তদন্তের দাবি করে।

ট্রাস্টের অনুরোধেই উত্তর প্রদেশ সরকার তিন সদস্যের সিট গঠন করেছে। এই টিমে থাকবেন লখনউ ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় বিশ্বাস পন্থ, ইন্সপেক্টর জেনারেল কিরণ এস এবং ফিন্যান্স বিভাগের বিশেষ সচিব নীল রতন। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই মন্দিরের বেশ কয়েকজন সদস্যদের জেরা করা হবে। এরাই মূলত ডোনেশনে পাওয়া টাকা গোনার দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হবে।

রাম মন্দির ট্রাস্টের জেনারেল সেক্রেটারি চম্পত রাই বলেছেন, মন্দিরে অভ্যন্তরীণ অডিট চলছে। এখনও পর্যন্ত আর্থিক বেনিয়মের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *