বিয়েতে বৌকে সোনার নেকলেস দিয়েছিলেন মমতা, পুজোয় পোশাক... সবই ফেরাতে চান কাকলি-পুত্র - 24 Ghanta Bangla News
Home

বিয়েতে বৌকে সোনার নেকলেস দিয়েছিলেন মমতা, পুজোয় পোশাক… সবই ফেরাতে চান কাকলি-পুত্র

Spread the love

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া উপহার ফেরানোর সিদ্ধান্ত কাকলি ঘোষদস্তিদারের ছেলের। তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারের ছেলে চিকিৎসক বৈদ্যনাথ ঘোষদস্তিদার রবিবার এ সংক্রান্ত একটি সোশ্যাল পোস্ট করেন। সেখানে লেখেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত ৪-৫ বছরে পুজোর সময়ে তাঁকে যে পোশাক উপহার দিয়েছেন এবং বিয়েতে তাঁর স্ত্রীকে যে নেকলেস দিয়েছেন, তা ফিরিয়ে দিতে চান মমতাকেই। ছেলের এই সিদ্ধান্তে পাশে দাঁড়িয়ে কাকলিও একটি পোস্ট করেন। বৈদ্যনাথের এক্স পোস্ট শেয়ার করে কাকলি লেখেন, ‘তোমার ও তোমার স্ত্রীর জন্য গর্বিত।’

এ দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় বৈদ্যনাথ লেখেন, ‘আমাদের বিয়েতে আমার স্ত্রীকে দেওয়া সোনার গলার হার ও পুজোয় আমাকে দেওয়া কুর্তা পাজামা ফেরত দিচ্ছি। এই সৌজন্যের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। ব্যক্তিগত কারণে এই উপহারগুলি ফিরিয়ে দেওয়াই সমীচীন বলে মনে করছি।’

পরে এই সময় অনলাইনকে বৈদ্যনাথ বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত ৫-৬ বছর ধরে প্রতি পুজোয় আমাকে পাঞ্জাবি, পাজামা দেন। সবকটাই আমি কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে দিয়ে আসব। আমার বিয়ের সময়ে উনি আমার বাড়িতে এসেছিলেন, আমার স্ত্রীকে একটি সোনার হার দিয়েছিলেন। সেটাও আমি ফেরত দিয়ে দেবো। দু’বছর হারটা যে আমাদের কাছে ছিল, তার জন্য সুদ দিতে হলে তা-ও দিয়ে দেবো। তাঁর মতো মানুষের কাছে আমি কিছুই চাই না।’

একই সঙ্গে বৈদ্যনাথ জানান, সোমবার তাঁর আইনজীবী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের তিন সাংসদকে আইনি নোটিস পাঠাতে চলেছেন। তাঁর এবং তাঁর পরিবার সম্পর্কে খারাপ কথা বলার কারণে এই নোটিস দিচ্ছেন বলে জানান। কাকলি ঘোষদস্তিদারের ছেলের কথায়, ‘এক মাস আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রেস কনফারেন্স করেন। সেখানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দলের এক সাংসদ তাঁর দল ভাঙছেন। ওই সাংসদ ছেলের জন্য টিকিট চেয়েছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি তা দেননি। সেই জন্য ওই সাংসদ বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা চেয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার বা আমার মায়ের নাম না নিলেও বুঝিয়ে দিয়েছেন সবটাই। আমরা ভদ্রতার খাতিরে চুপ ছিলাম। কিন্তু পরে সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্ররা এ নিয়ে বলেছেন। সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তিন জন সাংসদকে আমার আইনজীবী নোটিস দেবেন। প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে, ওই স্টেটমেন্ট প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে হাইকোর্টে মামলা করব আমরা।’

তৃণমূলে প্রথম ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারই। জেলা সংগঠনের পদ ছেড়ে দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন তিনি। এর পরে বিদ্রোহের আঁচ ছড়ায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের অন্দরেও। কাকলি-সহ ২০ জন তৃণমূল সাংসদ এই মুহূর্তে দিল্লিতে। এনডিএ জোটে সামিল হতে চান তাঁরা। সোমবার এ নিয়ে লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করারও কথা রয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *