ED Raid in Kolkata: সাতসকালে ঘুম থেকে তুলে তল্লাশি, তিন ফ্ল্যাটে ইডির হানা! বিছানার তলা থেকে উদ্ধার নথি-টাকা | ED searches 8 locations in municipal recruitment scam; documents and cash recovered from under the bed in Madan’s flat
কলকাতা: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ফের জোরদার অ্যাকশন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান ইডির আধিকারিকরা। সাতসকালেই তল্লাশি চলেছে মদনের দক্ষিণেশ্বরের ফ্ল্যাটে। একইসঙ্গে জোকাতে মদনের পুরনো ফ্ল্যাটেও হানা দিয়েছে ইডি। যদিও বিগত ১০ থেকে ১২ বছর এই ফ্ল্যাটে আসেন না মদন মিত্র, এমনটাই দাবি প্রতিবেশীদের।
এদিন একেবারে কাকভোরে সেন্ট্রাল ফোর্সের জওয়ানদের নিয়ে মদনের ফ্ল্যাটে চলে যান ইডি-র ৫ থেকে ৬ জন আধিকারিকরা। যদিও গিয়েই ঢুকতে পারেননি তাঁরা। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ওই ফ্ল্যাট তালা বন্ধ থাকায় বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের বাইরেই দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তাঁরা সেখানেই অপেক্ষা করেন। খোঁজ-খবর শুরু হয় চাবির জন্য। অন্যদিকে হানা দেওয়া হয় মদন মিত্রের ভবানীপুরের ফ্ল্যাটেও।
প্রসঙ্গত, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে একাধিক হেভিওয়েটকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়। এবার আচমকা মদন মিত্রের বাড়িতে রেইড থেকে নতুন আর কী কী পাওয়া যায় সেটাও দেখার। ইতিমধ্যেই বিছানার তলা থেকে বেশ কিছু নথি ও টাকা মিলেছে বলে ইডি সূত্রের খবর। ৬টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেরও হদিশ মিলেছে।
তবে শুধু এই জায়গাগুলিও নয়, জোকা, দক্ষিণেশ্বর সহ পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এদিন সকাল থেকেই একযোগে ৮ জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। ফলে চাপানউতোর চলছে পুরোদমে। বেলেঘাটা মেন রোডে ঠিকাদার সঞ্জীব ঘোষের বাড়িতেও যায় ইডি-র টিম। তিনি আবার এলাকার কাউন্সিলরের বেশ ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। এলাকার একের পর এক কাজের টেন্ডার শুধু তাঁর হাতে যাওয়া নিয়েও চলছে চর্চা। খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।