প্রেমের বিয়েতে আপত্তি, কাউন্সেলিং চলার সময়েই মেয়েকে খুনের অভিযোগ, ধৃত বাবা
ভালোবেসে বিয়ে করেছিল মেয়ে। পরিবারের আপত্তিকে উপেক্ষা করেই এই বিয়ে করেছিলেন তিনি। তা মেনে নিতে রাজি নন বাবা। এই নিয়ে থানায় কাউন্সেলিং-এর জন্য ডাকা হয় তাঁদের। অভিযোগ, সেখানেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে মেয়েকে আক্রমণ করেন বাবা। পরে মৃত্যু হয় মেয়ের। অভিযোগের জেরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ওই তরুণীর বাবাকে। উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলার ঘটনা।
পুলিশ সূত্রে খবর, ১৯ বছর বয়সি ওই তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল প্রতিবেশী এক যুবকের। তাঁকে বিয়ে করার জন্য গত ১৮ মে বাড়ি ছাড়েন তিনি। এই নিয়ে পরিবারের তরফে অভিযোগ জানানো হয় বান্দা (Banda) জেলার বাদৌসা থানায়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ।
বান্দার পুলিশ সুপার পলাশ বনসল জানিয়েছেন, গত ১২ জুন উদ্ধার করা হয় ওই তরুণীকে। আইনি পদ্ধতি মেনে তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে আসাও হয়। এর পরেই তাঁর বাবা-মাকে বিষয়টি জানিয়েছে থানায় আলোচনা এবং কাউন্সেলিং-এর জন্য ডাকাও হয়।
#bandapolice थाना बदौसा पुलिस द्वारा अपनी पुत्री की चाकू मार हत्या करने वाले पिता को किया गया गिरफ्तार ।#पलाश_बंसल #UPPolice pic.twitter.com/QYlvq5uGda
— Banda Police (@bandapolice) June 12, 2026
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বাদৌসা (Badousa) থানায় তাঁদের নিয়ে আলোচনায় বসেন পুলিশ আধিকারিকরা। সেখানেই ওই তরুণী জানিয়ে দেন, প্রেমিককে ভালোবেসে এবং নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছেন তিনি। সেই কারণে স্বামীর সঙ্গেই থাকতে চান তিনি। এমন কি আত্মীয়স্বজন ও পুলিশ আধিকারিকরা তাঁকে বোঝানোর বারবার চেষ্টা করা সত্ত্বেও তিনি তাঁর পরিবারের কাছে ফিরে যেতে রাজি হননি।
অভিযোগ, এর পরেই মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করেন তাঁর বাবা। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কাউন্সেলিং চলার সময়েই ওই হামলা করা হয়। ওই তরুণীর পেটে ছুরির আঘাত লাগে। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় আটাররা (Atarra) কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে। পরে মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে হয় তাঁকে। সেখানেই তরুণীকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
শুক্রবার, বান্দার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, এই নিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন ওই তরুণীর মা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়ে অভিযুক্তকে। ওই ধারালো অস্ত্রটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই নিয়ে আরও তদন্ত চালানো হচ্ছে।