ওর ক্যামেরাতেই বন্দি হয়েছিল আমেদাবাদের দুর্ঘটনা, খ্যাতির আড়ালে আজ অদ্ভুত আতঙ্কে ‘এরোপ্লেন বয়’
‘এরোপ্লেন বয়’-এর ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল শেষ মুহূর্ত
গুজরাটের আরাবল্লি জেলার মেঘরাজ তালুকের এক গ্রামে বাড়ি আরিয়ানের। তাঁর বাবা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মী, থাকেন আমেদাবাদের মেঘানীনগর এলাকায়। গত বছর ১২ জুন তারিখেই দ্বাদশ শ্রেণির বই কিনতে আহমেদাবাদে বাবার কাছে এসেছিল আরিয়ান।
মেঘানীনগরের সেই বাড়ির খুব কাছে আমেদাবাদ বিমানবন্দর। বাড়ির ছাদ থেকে খুব কম উচ্চতায় বিমান উড়ে যাচ্ছে দেখে তার মোবাইল ক্যামেরা অন করেছিল আরিয়ান। গ্রামে ফিরে গিয়ে বন্ধুদের দেখাবে সেই ভিডিয়ো।
সেই বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানটি যে আরও উচ্চতায় না উঠে মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে পড়ে একটি বিশাল আগুনের গোলা হয়ে জ্বলে যাবে, তা আরিয়ান ভাবতেও পারেনি। তার চোখের সামনে চলে গিয়েছিল বিমানে থাকা ২৪১ জন আরোহী ও মাটিতে থাকা আরও ১৯ জনের প্রাণ।