পড়শি বৃদ্ধের নামে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা, পলাতক অভিযুক্ত নেতা
অশোকনগর পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৯ নম্বর কাকপুলে বাড়ি প্রতিবন্ধী বৃদ্ধ বিমল দাসের। সেখানেই থাকেন তৃণমূল নেতা সমীর দে। অভিযোগ, ২০১৮ সালে সরকারি আবাস যোজনা প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বৃদ্ধের ব্যাঙ্কের পাসবই নিজের কাছে রেখেছিলেন প্রতিবেশী সমীর। ঘর তৈরির কাজ শুরু হলেও বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বৃদ্ধের পাসবই ফেরত দেননি তিনি। পরে ২০২১ সালে বিমলের নাম লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তা হিসেবে আবেদন জানিয়েছিলেন সমীর। সরকারি নথি যাচাইয়ের গাফিলতির কারণে তাঁর নামে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকছিল। পাসবই নিজের কাছে থাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা সমীর আত্মসাৎ করেন। এক বছর আগে বিষয়টি জানার পরেই বৃদ্ধের মেয়ে ব্যাঙ্কের পাসবই ফেরত চেয়েছিলেন সমীরের কাছে। অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সমীরের হুমকির মুখে পড়তে হয় বৃদ্ধের পরিবারকে।