কোনও সময়সীমা নয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ - 24 Ghanta Bangla News
Home

কোনও সময়সীমা নয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ

Spread the love

Abhishek Banerjee Under KMC Scanner, Action Likely Soon
Abhishek Banerjee Under KMC Scanner, Action Likely Soon

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সম্পত্তিতে কথিত বেআইনি নির্মাণকে কেন্দ্র করে এবার আরও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে কলকাতা পুরনিগম। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা এই বিতর্কে নতুন মোড় এসেছে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর। সূত্রের খবর, বেআইনি অংশ ভাঙার বিষয়ে আর কোনও অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে পুর কর্তৃপক্ষ।

পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের তরফে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরনিগমের কমিশনারের কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশ পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ পাওয়ার পর কলকাতা পুরনিগমের কমিশনার তথা প্রশাসক স্মিতা পান্ডে বিল্ডিং বিভাগ এবং অ্যাসেসমেন্ট বিভাগের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছেন। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির বর্তমান অবস্থান বা ‘স্ট্যাটাস রিপোর্ট’ জমা দিতে বলা হয়েছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যদি তদন্তে বেআইনি নির্মাণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উঠে আসে, তাহলে সংশ্লিষ্ট অংশ ভাঙার নির্দেশ জারি করা হতে পারে। প্রশাসনের একাংশের মতে, আদালতের নির্দেশ কার্যকর করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং এতে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।

এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট ইতিমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও সম্পত্তিতে যদি বেআইনি নির্মাণ বা অনুমোদনহীন অংশ থাকে, তাহলে কলকাতা পুরনিগম আইন মেনে সেই অংশ চিহ্নিত করে ভেঙে ফেলতে পারে। আদালতের এই নির্দেশের পরই পুর প্রশাসন বিষয়টিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করতে শুরু করেছে।

গত সপ্তাহের শেষদিকে কমিশনার স্মিতা পান্ডে পুরনিগমের বিল্ডিং বিভাগ এবং অ্যাসেসমেন্ট বিভাগের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির যাবতীয় নথি, অনুমোদিত নকশা এবং বর্তমান নির্মাণ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

পুরসভার অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, কমিশনার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, আদালতের নির্দেশ হাতে এসে যাওয়ার পর আর কোনও ধরনের বিলম্ব গ্রহণযোগ্য হবে না। আইন অনুযায়ী যা করণীয়, তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। সেই কারণেই পাঁচ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *