নাম ছিল ‘নবান্ন’, সেটা বদলে করতে হয়েছিল ‘পার্বণ’
এ দিন তিনি বলেন, ‘রেস্তোরাঁর নাম বদলের জন্য আমার প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়। ক্রকারিজ়, কাঁসার থালা, বাটি, গ্লাস–সহ স্টাফদের পোশাকে নবান্ন ট্রেডমার্ক ছিল। সব ফেলে দিয়ে নতুন কিনতে হয়েছে।’ তাঁর সংযোজন, ‘নাম বদলের পরে প্রথমে বিক্রিও কিছুটা কমে গিয়েছিল। যাঁরা নিয়মিত আসতেন, তাঁরা ভেবেছিলেন, রেস্তোরাঁর হাতবদল হয়েছে। আমি নিজে বসে থেকে অতিথিদের বুঝিয়েছি, হাতবদল হয়নি। নামবদল হয়েছে। খাবারের স্বাদও সব একই আছে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আজ পার্বণ একটা পরিচিত নাম।’ তবে সাধের নাম সরকারি নির্দেশিকা জারি করে বদলে ফেলার যন্ত্রণা তাঁর ভিতরে ভিতরে রয়েই গিয়েছিল।