‘ভিবি জি রামজি’: ‘ই–কেওয়াইসি’ প্রক্রিয়া শুরু জোরকদমে - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘ভিবি জি রামজি’: ‘ই–কেওয়াইসি’ প্রক্রিয়া শুরু জোরকদমে

Spread the love

এই সময়, পুরুলিয়া: প্রায় সাড়ে চার বছর বন্ধ থাকার পরে জেলায় শুরু হচ্ছে ‘ভিবি জি রামজি’ (বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন গ্রামীণ) প্রকল্পের কাজ। জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকেই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে যে জব কার্ড হোল্ডাররা এখনও ‘ই-কেওয়াইসি’ করাতে পারেননি, তাঁরা কাজ করতে পারবেন না।

পুরুলিয়ার জেলাশাসক সুধীর কণ্ঠম বলেন, ‘অতীতে যা ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প ছিল, ২০২৫–এর গেজেট নোটিফিকেশনের পরে সেই প্রকল্পে ১২৫ দিন কাজ পাবেন শ্রমিকেরা।’ তিনি আরও জানিয়েছেন জলাশয় খনন, বৃক্ষরোপণের মতো কাজগুলিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ ছাড়া গ্রামীণ সড়ক ও নিকাশি পরিকাঠামো নির্মাণের কাজকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। গ্রামীণ হাট বা পশুহাট, স্বনির্ভর দলগুলির কাজের পরিকাঠামো গড়া হবে। প্রকল্পের মাধ্যমে যে তৈরি হবে, তা অনলাইনে দেখা হবে।

জেলার ২০টি ব্লকের ১৭০টি পঞ্চায়েত এই প্রকল্পের আওতায় আসবে। জেলায় বর্তমানে জব কার্ডের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৩ হাজার ২৫৫। শ্রমিকের সংখ্যা ১১ লক্ষ ২১ হাজার ৯৩১। পঞ্চায়েতের গ্রামসভার ও পিএম গতিশক্তি পোর্টালের মাধ্যমে উঠে আসা প্রকল্পগুলি নিয়েই বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রকল্প তৈরি হবে। তবে এ ক্ষেত্রে যে সমস্ত জব কার্ড হোল্ডারদের ‘ই-কেওয়াইসি’–র কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে, তাঁঁরাই এই প্রকল্পে কাজ পাবেন। জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, নিচুতলায় এখন শ্রমিকদের ‘ই-কেওয়াইসি’–র উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। জেলার ২০টি ব্লকের সমস্ত পঞ্চায়েতের গ্রাম রোজগার সেবকেরা কাজ শুরু করেছেন।

কী ভাবে হচ্ছে ‘ই-কেওয়াইসি’–র কাজ? এই প্রকল্পের জন্য একটি মোবাইল মনিটরিং পোর্টাল রয়েছে। আগে যখন এই প্রকল্পের কাজ চলত, তখন থেকে পোর্টালটি রয়েছে। দেখা হচ্ছে, সেই পোর্টালে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের নাম রয়েছে কি না। নাম থাকলে সেই ব্যক্তির চোখের ছবি তুলে পোর্টালে আপলোড করা হচ্ছে। সোমবার কাশীপুরের রঙ্গিলাডি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পঞ্চায়েত কর্মীরা সেই কাজ করছেন। ইরা বাউড়ি, ধনী বাউড়ির মতো শ্রমিকরা বলছিলেন, ‘চার বছরেরও বেশি কাজ বন্ধ। কাজ হলে দু’টো পয়সা পাব। এখানে কাজ কোথায়!’

জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, ১১ লক্ষ ২১ হাজার ৯৩১ জন শ্রমিকের মধ্যে ‘ই-কেওয়াইসি’ হয়েছে ৮ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৬৩ জনের। এখনও ২ লক্ষ ৭৪ হাজার ৩৬৮ জনের এই প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে। জেলাশাসক বলেন, ‘এই কাজ ৭৫ শতাংশ হয়েছে। বাকি কাজ যাতে খুব শিগগির হয়, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। সবার ই–কেওয়াইসি হয়ে যাবে।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *