Hooghly: এবার বলাগড়ে ভিড়বে জাহাজ! বড় পরিকল্পনা কেন্দ্রের, আশায় বুক বাঁধছেন বাসিন্দারা | New mini port to be developed in Balagarh Hooghly, people expects job
বলাগড়: কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরে প্রতিদিন চলে জাহাজের আনাগোনা। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পন্য বোঝাই করা হয়, খালাসও করা হয়। দিনে দিনে ব্যস্ততা বেড়েছে বন্দরে। কলকাতা বন্দরের সেই ভার লাঘব করতে এবার ‘মিনি বন্দর’ তৈরি করা হতে পারে হুগলির (Hooghly) বলাগড়ে। সূত্রের খবর, এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেই বন্দরের হাত ধরেই দিন বদলের স্বপ্ন দেখছেন বলাগড়বাসী।
১১০০ একর জমি নেওয়া হয় বাম আমলে
১৯৯৬ সালে বাম সরকারের আমলে সিইএসসি বিদ্যুৎ কেন্দ্র করার জন্য ১১০০ একর জমি নিয়েছিল কৃষকদের কাছ থেকে। পোর্ট ট্রাস্টেরও কিছু জমি রয়েছে। তারপর কাজ শুরু হয়েছিল। ব্রিজ ও রাস্তাও তৈরি হয়েছিল। ২০০০ সালের ভয়াবহ বন্যায় সেই সেতুর রাস্তা কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। পরে বাতিল হয় বিদ্যুৎ প্রকল্প।
গত ২৫ বছর ধরে সেই অবস্থায় পড়ে রয়েছে বলাগড়ের শ্রীপুর চর। যে চরে এখনও কয়েকঘর বসতি রয়েছে। শ্রীপুরে গঙ্গা প্রাকৃতিকভাবেই বন্দরের উপযোগী। গঙ্গা থেকে অর্ধ চন্দ্রাকৃতি খাড়ি পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে গিয়ে আবার গঙ্গায় মিশেছে। মাঝে যে চর রয়েছে, সেখানেই বন্দর তৈরির পরিকল্পনা শুরু হয়েছে।
কর্মস্থানের আশা দেখছে বলাগড়
বন্দর তৈরি হলে, এলাকায় আর্থ সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন হবে বলেই আশা করছেন বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের কর্মসংস্থান হবে বলে আশায় বলাগড়বাসী। পাশাপাশি বলাগড়ের গঙ্গা ভাঙন রোখা যাবে বলেও আশাবাদী স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।
বলাগড়ের বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার বলেন, “আমাদের সরকার শুধু কথায় মানবিক নয়, কাজেও মানবিক। ইতিমধ্যেই বন্দরের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। আমাদের ভালো লাগছে, এখানকার ছেলেমেয়েরা এখানে কাজ পাবে। কেউ পরিযায়ী বলতে পারবে না।”
বন্দরের জন্য আড়াই কিলোমিটার এলাকা দরকার। সেটার পাশাপাশি বাকি ৪৫ কিলোমিটার এলাকাতেও গঙ্গাভাঙন রোখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে বিজেপি সরকার।