বিশ্বকাপের আগে স্বস্তি ব্রাজিলে, দ্রুত ফিট হচ্ছেন নেইমার জুনিয়র
স্পোর্টস ডেস্ক, কলকাতা: বিশ্বকাপ শুরুর মুখে ব্রাজিল শিবিরে সবচেয়ে বড় চিন্তার কারণ ছিলেন নেইমার (Neymar) জুনিয়র। দীর্ঘদিন চোটের সমস্যায় ভোগার পর জাতীয় দলে ফিরেছেন ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলার। …
স্পোর্টস ডেস্ক, কলকাতা: বিশ্বকাপ শুরুর মুখে ব্রাজিল শিবিরে সবচেয়ে বড় চিন্তার কারণ ছিলেন নেইমার (Neymar) জুনিয়র। দীর্ঘদিন চোটের সমস্যায় ভোগার পর জাতীয় দলে ফিরেছেন ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলার। প্রায় আড়াই বছর পর আবারও দেশের জার্সিতে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। নতুন কোচ কার্লো আনচেলোত্তি তাঁর উপর আস্থা রেখে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা দিয়েছেন। কিন্তু কাফ মাসলের চোটের কারণে বিশ্বকাপের শুরু থেকেই নেইমারকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড়সড় অনিশ্চয়তা।
গত তিন সপ্তাহ ধরে বল পায়ে অনুশীলন করতে পারেননি ব্রাজিলের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার। এমনকি প্রস্তুতি ম্যাচেও মাঠে নামতে পারেননি তিনি। ফলে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তাঁর উপস্থিতি নিয়ে সংশয় আরও বেড়ে গিয়েছিল। তবে সেই উদ্বেগের মাঝেই স্বস্তির খবর পেলেন ব্রাজিল সমর্থকরা।
সোমবার নেইমারের এমআরআই স্ক্যান করা হয়। সেই রিপোর্টে দেখা গেছে, চোটের অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। চিকিৎসায় তিনি ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার পথে রয়েছেন। চিকিৎসক ও ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্ধারিত পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ঠিকভাবে চললে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের আগেই পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেন ব্রাজিলের এই তারকা।
ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের পক্ষ থেকেও আশাবাদী বার্তা দেওয়া হয়েছে। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নেইমারের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে এবং তিনি চিকিৎসার প্রতি ভালো সাড়া দিচ্ছেন। জাতীয় দলের মেডিক্যাল টিম নিয়মিত তাঁর উপর নজর রাখছে। একইসঙ্গে তাঁকে দ্রুত ম্যাচ ফিট করে তোলার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ব্রাজিল। সেই ম্যাচের আগে সময় খুব বেশি না থাকলেও নেইমারের সুস্থতার অগ্রগতি ব্রাজিল শিবিরকে আশাবাদী করে তুলেছে। কোচিং স্টাফও বিশ্বাস করছে, দলের অন্যতম ভরসার ফুটবলারকে প্রথম ম্যাচ থেকেই পাওয়ার সম্ভাবনা এখনও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে নেইমারের কাছেও এই বিশ্বকাপ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। অনেকের মতে, এটিই হতে পারে তাঁর কেরিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। তাই এই মঞ্চে নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য মরিয়া তিনি। চোট কাটিয়ে দ্রুত মাঠে ফেরার লক্ষ্যে কঠোর পরিশ্রম করছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। এখন দেখার, সময়ের সঙ্গে লড়াইয়ে জিতে বিশ্বকাপের শুরু থেকেই তিনি ব্রাজিলের আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দিতে পারেন কি না।