Hawker Eviction: 'মুক্তিযুদ্ধে পাক সমর্থক মুসলিম হকারদের কলকাতায় বসিয়েছে সুব্রত-কলিমুদ্দিন:' বিস্ফোরক তথাগত - 24 Ghanta Bangla News
Home

Hawker Eviction: ‘মুক্তিযুদ্ধে পাক সমর্থক মুসলিম হকারদের কলকাতায় বসিয়েছে সুব্রত-কলিমুদ্দিন:’ বিস্ফোরক তথাগত

Spread the love

কলকাতা: রাজ্য জুড়ে চলছে বিজেপি সরকারের হকার উচ্ছেদ অভিযান। (Hawker Eviction)রেলের জায়গা থেকে শুরু করে ফুটপাত সব জায়গা থেকেই সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে হকারদের। এই আবহেই মুখ খুলেছেন বিজেপির …

কলকাতা: রাজ্য জুড়ে চলছে বিজেপি সরকারের হকার উচ্ছেদ অভিযান। (Hawker Eviction)রেলের জায়গা থেকে শুরু করে ফুটপাত সব জায়গা থেকেই সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে হকারদের। এই আবহেই মুখ খুলেছেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা তথাগত রায়।

তিনি সরাসরি অভিযোগ করে বলেছেন, কলকাতার ফুটপাতে হকার বসানোর প্রধান মাস্টারমাইন্ড ছিলেন কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তাঁর মতে, এই সমস্যার শুরু হয়েছিল ১৯৭২ সালে এবং পরবর্তীকালে তা আরও জটিল হয়ে ওঠে।তথাগত রায় বলেন, “হকার উচ্ছেদ করা কতটা নৈতিক তা নিরূপণ করা সহজ নয়। ওঁরা খাবেন কী এই প্রশ্ন যেমন আছে, তেমনি প্রশ্ন আছে, তাহলে কি হকাররা তেলেভাজা রান্নার জন্য আপনার রান্নাঘরে ঢুকে পড়তে পারেন?

হকারদের বেঁচে থাকার অধিকার আছে, কিন্তু পথচারীদেরও স্বচ্ছন্দে চলাফেরা করার অধিকার আছে।” তিনি আরও জানান, কলকাতার ফুটপাত দখলের ঘটনা তাঁর চোখের সামনেই ঘটেছে। ১৯৭২ সালে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সময় থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত বিহারী মুসলমানদের যারা মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিলেন চৌরঙ্গীর ফুটপাতে বসিয়ে দেন তৎকালীন নেতা কলিমুদ্দিন শামস।

আরও দেখুনঃ নিট পুনঃপরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বায়ুসেনা, হেলিকপ্টারে করে পৌঁছে দেওয়া হবে প্রশ্নপত্র

এরপর আর বাঁধন খুলতে সময় লাগেনি। ফুটপাত দখল থেকে প্রচুর অর্থ উপার্জনের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।বর্তমানে রেলের জমি থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন ফুটপাত সর্বত্রই হকার উচ্ছেদ চলছে। তথাগত রায় বলেন, “শুধু পুনর্বাসন কোনো সমাধান নয়। অতীতে দেখা গেছে, পুনর্বাসনের জায়গা বিক্রি করে অনেকে আবার পুরোনো জায়গায় ফিরে এসেছেন। তাই উচ্ছেদ করতেই হবে।

রাস্তাঘাট মানুষের চলাচলের উপযুক্ত করতেই হবে। চৌরঙ্গীর ফুটপাতের দিকে একবার তাকালেই বোঝা যায়, এ রাজ্যে কোন বিনিয়োগকারী আসতে চাইবেন না।”তাঁর মতে, উচ্ছেদের পাশাপাশি যথাযথ পুনর্বাসনেরও ব্যবস্থা করতে হবে। ফুটপাত দখলমুক্ত করা না গেলে শহরের সৌন্দর্য, চলাচল এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সবকিছুই বাধাগ্রস্ত হবে। তথাগত রায়ের এই বক্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে তথাগত রাজনৈতিক উস্কানি দিচ্ছেন। অন্যদিকে, সাধারণ পথচারী ও ব্যবসায়ীরা তথাগত রায়ের বক্তব্যকে সমর্থন করছেন। চৌরঙ্গী এলাকার এক দোকানদার বলেন, “ফুটপাতে হকারদের জন্য হাঁটাই দায় হয়ে উঠেছে। বৃষ্টিতে জল জমে, রাস্তা আটকে যায়। শহরকে সুন্দর করতে উচ্ছেদ জরুরি, কিন্তু তাদের বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করলে সমস্যা আরও বাড়বে।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *