Aparajita Adhya slams trollers: সৌজন্যের খাতিরে গিয়েছিলাম... ‘শুভেন্দু অধিকারী ডাকলেও যাব’, স্পষ্ট জানালেন অপরাজিতা আঢ্য | Aparajita Adhya hits back at trollers with direct quotes over Bhaiphota controversy - 24 Ghanta Bangla News
Home

Aparajita Adhya slams trollers: সৌজন্যের খাতিরে গিয়েছিলাম… ‘শুভেন্দু অধিকারী ডাকলেও যাব’, স্পষ্ট জানালেন অপরাজিতা আঢ্য | Aparajita Adhya hits back at trollers with direct quotes over Bhaiphota controversy

Spread the love

সমাজমাধ্যমে চলা লাগাতার কটাক্ষের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Adhya)। ফেডারেশন কর্তা স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেফতারি এবং প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের আইনি জটিলতার আবহে অভিনেত্রীর একটি পুরনো ‘ভাইফোঁটা’র ভিডিয়ো, ছবি নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। তা নিয়েই নেটাগরিকদের একাংশের অশালীন আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। এই ট্রোলিংয়ের জবাবে রবিবার এক ভিডিয়ো বার্তায় নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী। সৌজন্য এবং রাজনৈতিক সমর্থন যে এক জিনিস নয়, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

 

কাজের লোভে তিনি রাজনৈতিক নেতাদের ঘনিষ্ঠ হন, এই অভিযোগের জবাবে তীব্র কটাক্ষ করেছেন অপরাজিতা। ট্রোলারদের উদ্দেশ্যে তিনি সরাসরি বলেন, “সবাই কাজের লোভে মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ হলে সাংসদ শতাব্দী রায় সব ছবির নায়িকা হতেন। কারণ, দীর্ঘ অনেকগুলো বছর ধরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ।” সায়নী ঘোষেরও কাজের অভাব হত না বলে জানান তিনি। নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে তিনি জানান, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিক ‘দাদা’-তে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়ার আগে টানা ছ’মাস কোনও কাজ ছিল না তাঁর। মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ হলে তাঁকে এভাবে বসে থাকতে হত না বলেই দাবি অভিনেত্রীর।

 

নেটিজেনদের কুরুচিকর মন্তব্যের জেরে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ছোট থেকে সৌজন্য শিখিয়েছেন বড়রা। সৌজন্য শব্দটাই তো এখন হারিয়ে গিয়েছে।” তাঁর কথায় “কোনও মন্ত্রী যদি ভাইফোঁটার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করেন তাহলে সৌজন্যবোধ দেখানোটা আমাদের কর্তব্য”। মুখ্যমন্ত্রীর বিজয়া দশমীর অনুষ্ঠানে প্রথিতযশা শিল্পীদের উপস্থিতির উদাহরণ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের কীসের লোভ ছিল? আমন্ত্রণ রক্ষা করা যে একটি সামাজিক শিষ্টাচার, তা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, “আগামী দিনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বা তাঁর কোনও মন্ত্রী আমন্ত্রণ জানালেও আমি যাব। এটাই ভদ্রতা বা সৌজন্যবোধ।” মতাদর্শ আলাদা হলেও ন্যূনতম সৌজন্য রক্ষা করা জরুরি বলে মনে করেন তিনি। তিনি স্বরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে বলেন “যে মানুষটিকে নিয়ে কথা হচ্ছে তাঁর সঙ্গে আমি সামনাসামনি কথাই বলিনি, তাঁর সম্পর্কে হোক বা বিপক্ষে আমি কোনওদিনই কোনও কথা বলিনি, কোথায় দেখা গেল যে আমি পাল্টিবাজ?”

টলিউডের অন্দরে চলা অন্যায় ‘সিস্টেম’ এবং ‘ব্যান’ সংস্কৃতির বিরুদ্ধেও নিজের প্রতিবাদের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন অপরাজিতা। অতীতের ঘটনা উল্লেখ করে তিনি জানান, নিষিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও দেবের ছবিতে অনির্বাণ ভট্টাচার্যের সঙ্গে কাজ করতে এককথায় রাজি হয়েছিলেন। রাজি হন ব্যান হয়ে যাওয়ার পর সুদেষ্ণা রায়ের সঙ্গে কাজ করতেও। সব প্রতিবাদ যে চেঁচামেচি করে হয় না, তা বোঝাতে তিনি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “বুম্বাদা শিক্ষিত, বিচক্ষণ। তিনি জানতেন, ওই সময়ে ‘ব্যান’ সংস্কৃতি বন্ধ করার মতো পরিস্থিতি ছিল না। তাই তিনি পিছিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন।”

 

সোশাল মিডিয়ায় এই ধরনের লাগামছাড়া আক্রমণে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত অভিনেত্রী। ট্রোলারদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “এই সব সহ্য করতে করতে ক্লান্ত। আর পারছি না।” এই নোংরামির বিরুদ্ধে তিনি মুখ্যমন্ত্রী এবং নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের কাছে লিখিত অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *