Agnimitra Paul on Madrasa Survey: মাদ্রাসা নিয়ে বড় মন্তব্য মন্ত্রী অগ্নিমিত্রার, কী বললেন? | Minister Agnimitra Paul Backs Statewide Madrasa Survey, Calls for Review of Education Quality and Fund Utilization
শিলিগুড়ি: সংগ্রহ করা হবে সব জেলার সমস্ত মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য। রাজ্যের সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে সমস্ত জেলাশাসককে এই নিয়ে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ এবং সমাজকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি স্পষ্ট করলেন, নতুন সরকারের উন্নয়নে সামিল হোক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরা।
কী বললেন অগ্নিমিত্রা পাল?
মাদ্রাসাগুলিতে পড়াশোনা কেমন হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা দরকার জানিয়ে এদিন অগ্নিমিত্রা বলেন, “বিধানসভায় যখন বিরোধী দলে ছিলাম, তখনও বলেছি, মাদ্রাসায় ৫৭১৩ কোটি টাকার যে অনুদান দেওয়া হচ্ছে, তাতে কতজন ছেলেমেয়ে তার সাহায্য পাচ্ছে? কতগুলো ছেলেমেয়ে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিজ্ঞানী আইএফএস, আইআরএস হচ্ছে, তা দেখা দরকার। টাকাগুলো কোথায় যাচ্ছে, মাদ্রাসায় আধুনিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে কি না, তা দেখা দরকার। কারণ আমরা চাই, বাংলায় নতুন সরকার যে উন্নয়নের রাস্তা নিয়েছে, সেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরাও যোগ দিক। একসঙ্গে আমরা বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাব।”
বাংলায় পালাবদলের পর তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে ভাঙন ধরেছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে ভাঙনের ফলে কি বিজেপির কোনও সুবিধা হচ্ছে? এই প্রশ্নের জবাবে অগ্নিমিত্রা বলেন, “সুবিধা-অসুবিধার বিষয় নয়। শুধুমাত্র ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে কোনও সম্প্রদায়কে দিনের পর দিন ব্যবহার করা হয়, এটা স্বাভাবিক যে তারা একদিন সরে যাবে। দিনের শেষে একজন হিন্দু মহিলা যা চান, একজন মুসলিম মহিলা, একশিখ মহিলাও তা চান। মাথার উপর ছাদ, খাবার, পানীয় জল, চাকরি, শিক্ষা। সেটা গত ১৫ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেননি।”
প্রসঙ্গত, জেলাশাসকদের যে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে, অনুমোদিত, অননুমোদিত, নিবন্ধিত, অনিবন্ধিত, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত, বেসরকারি ও সম্প্রদায়-পরিচালিত, সকল প্রকার মাদ্রাসাই এই সমীক্ষার আওতায় থাকবে। বর্তমানে কোন অবস্থায় রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি, কেমন পরিকাঠামো রয়েছে, শিক্ষাক্রম, ছাত্রছাত্রীদের তথ্য-সহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। তবে চিঠিতে স্পষ্টভাবে এটাও বলা হয়েছে যে এটা শুধুমাত্র তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এই নির্দেশের মাধ্যমে কোনও মাদ্রাসা বন্ধ, জোরপূর্বক ব্যবস্থা বা ছাত্রছাত্রী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পদক্ষেপ করা হবে না।