‘যে যা করেছে তাঁর কর্মফল তো…’, অরূপকে ভাইফোঁটা দেওয়া নিয়ে ‘ট্রোলড’ হতেই মুখ খুললেন রণিতা
প্রতি বছর ভাইফোঁটায় সকলেরই নজর থাকে টলিপাড়ার দিকে। ঘটা করে সেলিব্রিটি ভাইফোঁটার আয়োজন করতেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা অরূপ বিশ্বাস। সেই তালিকায় কৌশানী মুখোপাধ্যায়, অপরাজিতা আঢ্য থেকে রণিতা দাস সকলকেই দেখা গিয়েছে বছরের পর বছর। রাজ্যের পালাবদলের পরে একের পর এক অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে। নেটদুনিয়ায় বর্তমানে ভাইরাল সেই সময়ের ভাইফোঁটার নানা মুহূর্ত। ট্রোলড হতেই কী বললেন রণিতা দাস?
রণিতার কথায়, ‘আমার সঙ্গে যবে থেকে অরূপদার আলাপ, দাদা হিসেবে যে ভাবে কোভিডের সময়ে আমায় পাশে দাঁড়িয়েছিল সেটা অতুলনীয়। যখন কোথাও কিছু পাওয়া যাচ্ছিল না, তখন বাবা-মাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দিয়েছিলেন অরূপদা। সব কিছু বড় দাদার মতো প্রোটেক্ট করেছে। কাজের জায়গায় কোনও সমস্যা হলে বকাঝকা, শাসন সবই করতেন। প্রয়োজনে আমায় বুঝিয়েওছেন। দাদার মতো পাশে ছিলেন বলেই এতটা মন থেকে সম্পর্ক। সেই জায়গা থেকেই হয়তো আমার সঙ্গে কোনও দিন কিছু খারাপ ঘটেনি।’
ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক জীবনে তাঁরা কী করেছেন, সেই ব্যাপারে ঠিক, ভুল বিচারের জন্য আইন আছে। রণিতার কথায়, ‘যে যা করেছে তাঁর কর্মফল তো ভোগ করতেই হবে। এ বিষয়ে কিছু বলার নেই। অন্যায়ের ক্ষেত্রে তো আমাদের সকলের মতই সমান।’
তবে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের ক্ষেত্রে কখনও কোনও অসুবিধা হয়নি রণিতার। অনির্বাণের মতো আরও অনেক অভিনেতাকে যে ভাবে ব্যান করা হয়েছিল, সেই বিষয়টাকেও একেবারেই ভালো ভাবে নেননি অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, ‘আমার এই বিষয়টা মোটেও ঠিক মনে হয়নি। তবে আমার যেমন কিছু লোকের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে এত খারাপ অভিজ্ঞতা আছে, তেমন অনেকেরই রয়েছে। আমার প্রবলেম হয়নি মানে কারও সমস্যা হবে না, সেটা তো একেবারেই নয়। ব্যান হওয়া বা কারও কাজ বন্ধ করা তো কোনও ভালো বিষয় নয়। যার সঙ্গে যা হয়েছে, সেটাও খুব খারাপ।’