‘টক টু অ্যাডমিনিস্ট্রেটর’ই সই, কথা চান শহরের নাগরিকরা
ওই অনুষ্ঠানে সপ্তাহে একদিন কলকাতার নাগরিকদের কাছ থেকে ঘণ্টাখানেক ধরে ফোনে তাঁদের নানা সমস্যার কথা শুনতেন মেয়র। সঙ্গে সঙ্গেই সেই সমস্যা নিরসনে সংশ্লিষ্ট পুর–আধিকারিকদের নির্দেশও দিতেন তিনি। ফিরহাদের কথায়, ‘পুরসভার কাজ লালফিতের ফাঁস থেকে মুক্ত করতেই এই অনুষ্ঠান করার কথা মাথায় এসেছিল।’ অনেকেই বলেন, ‘টক টু মেয়র’ ছিল ফিরহাদের মাস্টার স্ট্রোক। পুরসভার একাধিক অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকের বক্তব্য, বিদেশের অনেক শহরের মেয়র এই কাজ করলেও কলকাতায় প্রথম এই ব্যবস্থা শুরু করেছিলেন ফিরহাদ হাকিমই। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোট সংক্রান্ত ব্যস্ততার কারণে মাস তিনেক ওই অনুষ্ঠান বন্ধ ছিল। আর ভোট মেটার এক মাসের মধ্যে মেয়র পদেই ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন ফিরহাদ।
বেহালার পূর্ব পুটিয়ারি ব্যনার্জি পাড়ার সুব্রত গুহ বলেন, ‘টক টু মেয়র অনুষ্ঠানে ফোন করে পাড়ার একটি পুকুরের হাল ফেরাতে পেরেছিলাম। ওই অনুষ্ঠান খুব কাজে লাগত আমাদের মতো সাধারণ মানুষের। কলকাতা পুরসভার ক্ষমতায় যাঁরাই আসুন, তাঁদের কাছে একটাই অনুরোধ—টক টু মেয়র না হলে অন্তত টক টু অ্যাডিমিনিস্ট্রেটর চালু করা হোক।’ উত্তর কলকাতার টালার বাসিন্দা শান্তনু দে বলেন, ‘টক টু মেয়র অনুষ্ঠানে ফোন করে একটি বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছিলাম। পুরসভা সাত দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছিল।’ কসবার নরেন গুহ বলেন, ‘একটি সরকারি জমি দখলের চেষ্টা হচ্ছিল। টক টু মেয়রে ফোন করে জানানোর দিন তিনেকের মধ্যে সেই চেষ্টা বন্ধ হয়। কলকাতা পুরসভার তরফে টক টু মেয়র বা টক টু অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ফের চালু করা হোক। ’