এলওপি বাছতে লড়াই কি বিধানসভার ফ্লোরেই? সংখ্যা তাঁদের পক্ষেই, দাবি বিদ্রোহী শিবিরের - 24 Ghanta Bangla News
Home

এলওপি বাছতে লড়াই কি বিধানসভার ফ্লোরেই? সংখ্যা তাঁদের পক্ষেই, দাবি বিদ্রোহী শিবিরের

Spread the love

তৃণমূলের বিদ্রোহী ৫৮ জন বিধায়কের জমা দেওয়া রেজ়োলিউশনের ভিত্তিতে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দিয়েছেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু। আখরুজ্জমান বিরোধী সচেতক হয়েছেন। যদিও কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্ব অধ্যক্ষের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, গত ৬ মে কালীঘাটে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে পরিষদীয় রীতি মেনেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হয়। এই পরিষদীয় বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত বিধানসভাকে জানাবেন। যদিও বিদ্রোহী শিবিরের পাল্টা দাবি, গত ৬ মে কোনও রেজ়োলিউশন গ্রহণ করা হয়নি। কালীঘাটে গত ১৯ মে তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে মমতা যে বৈঠক করেন, সেখানেও পদ্ধতি মেনে রেজ়োলিউশন গ্রহণ করা হয়নি। ব্যাকডেটে স্বাক্ষর করতে বলা হয়েছিল।

কালীঘাটের বৈঠকে যে ‘রেজ়োলিউশন’ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছেন, সেই ‘রেজ়োলিউশন’ শনিবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। দু’টি ‘রেজ়োলিউশন’ এক নেতার ভুলের কারণেই প্রকাশ্যে এসেছে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর। গত ৬ মে যে ‘রেজ়োলিউশন’ গ্রহণ করা হয়েছে, সেখানে ৭০ জনের স্বাক্ষর রয়েছে। আবার গত ১৯ মের ‘রেজ়োলিউশনে’ ৬৪ জনের স্বাক্ষর রয়েছে। ১৯ মের ‘রেজ়োলিউশনে’ শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচন করার কথা উল্লেখ করা নেই। তবে ৬ তারিখের ‘রেজ়োলিউশনে’ একটি সংযোজিত পৃষ্ঠায় শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

এই নথি প্রকাশ্যে চলে এলেও এ নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে শোভনদেবের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রকাশ্যে আসা এই নথি বিদ্রোহী শিবিরের নজরেও এসেছে। ঋতব্রতর কথায়, ‘ভালো করে কাগজগুলি দেখলেই একাধিক গরমিল চোখে পড়বে। সব থেকে বড় কথা, প্রথম যে দিন বিধানসভায় চিঠি পাঠানো হয়েছিল, সে দিন কেন সই জমা পড়েনি? ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক তো প্রকাশ্যেই বলেছেন, তিনি মিটিংয়ে ছিলেন না, বাড়িতে ছিলেন। এই বিষয়ে সিআইডি তদন্ত করছে।’ কালীঘাটের নেতৃত্বের পাশে থাকা বিধায়করা বিদ্রোহী শিবিরকে আগেই ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে চিহ্নিত করেছেন। তৃণমূলের মুখপাত্র তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ এ দিন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘…রহস্যজনক ব্যক্তিস্বার্থে প্রতিপক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় মমতাদির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা আমি সমর্থন করি না। তবে দলের ভুলত্রুটি সংশোধনের বদলে যদি ভুল চলতে থাকে, সেটা দেখে চোখ বুজে থাকতে পারব না।….মমতাদির সঙ্গে আছি, কিন্তু বারবার একই ভুলের সঙ্গে নেই।’ কুণালের এই লাগাতার আক্রামণ তাঁর হতাশার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছে বিদ্রোহী শিবির।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *