টাকা দিলে কিছু না জেনেও কাজ! স্বরূপের ‘স্বরূপ’ খুলছে টলিউড
এ ছাড়া স্বরূপ এবং তাঁর বাহিনী ‘গুপি শুটিং’ বলে একটি শব্দবন্ধ তৈরি করেছিলেন। অর্থাৎ ফেডারেশনের থেকে অনুমতি না নিয়ে শুটিং করা। টলি পাড়ার অনেক কর্মী জানাচ্ছেন, স্বরূপ ও তাঁর বাহিনী এই ‘গুপি শুটিং’–য়ের বিরোধিতা করলেও তাঁরা চাইতেন সেটা আসলে চলুক। আর সেখানে কায়দা করে নিজেদের লোক ঢুকিয়ে দিতেন তাঁরাই। যে এলাকায় ‘গুপি শুটিং’ হচ্ছে আগাম খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যেত স্বরূপের বাহিনী। এরপর ব্যান করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে স্পট থেকে তুলে নেওয়া হতো জরিমানার হাজার হাজার টাকা। প্রযোজরা ভয়ে সেই টাকা দিতে বাধ্য হতেন বলে অভিযোগ। এ ছাড়াও প্রতিটি শুটিংয়ে কোথা থেকে খাবার আসবে, কে গাড়ি ভাড়া দেবে, কে টেবিল–চেয়ার সাপ্লাই করবে, এই তালিকাও ঠিক করে দিতেন স্বরূপ। করোনার সময়ে যখন শুটিং বন্ধ, তখন স্বরূপের নেতৃত্বাধীন ফেডারেশন প্রচুর টাকা, খাদ্য সামগ্রী বিলিয়েছিল। তার বেশিরভাগটাই ক্যাশে দেওয়া হতো। এখন অবশ্য বহু কর্মী সেই টাকার উৎস কী, সেই দাবিতে সরব। ভিন রাজ্যে বা বিদেশের শুটিং হলেই কলাকুশলীদের পারিশ্রমিক প্রায় দ্বিগুণ কখনও কখনও তিন গুণ বেড়ে যেত। এই চাপে একটি বাংলাদেশি বিনোদন অ্যাপ কলকাতায় কাজ শুরু করেও ফেডারেশনের দাপটে তা বন্ধ করে দেয়।