অ্যাকোরিয়ামের যত্ন নেবেন কী ভাবে? - 24 Ghanta Bangla News
Home

অ্যাকোরিয়ামের যত্ন নেবেন কী ভাবে?

Spread the love

অনেকের বাড়িতেই অ্যাকোরিয়াম থাকে। কিন্তু কী ভাবে পরিষ্কার করতে হয়, তা কি জানেন? ভুল পদ্ধতি পরিষ্কার করলে এবং মাছেদের যত্ন নিলে ক্ষতি হতে পারে। তা হলে কী ভাবে পরিচর্যা করবেন মাছ ও অ্যাকোরিয়ামের?

অ্যাকোরিয়াম ভর্তি জল একসঙ্গে বদলানোর প্রয়োজন নেই। প্রতি সপ্তাহে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ জল পরিবর্তন করলেই জলের গুণমান বজায় থাকে। এটা মাছের জন্যও স্বাস্থ্যকর।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকোরিয়ামের কাচে শ্যাওলা ও ময়লার আস্তরণ জম। এতে অ্যাকোরিয়ামের সৌন্দর্য নষ্ট হয়। স্ক্রাবার বা ম্যাগনেটিক ক্লিনার দিয়ে কাচ পরিষ্কার করুন।

ফিল্টার অ্যাকোরিয়ামের প্রধান অংশ। এটি জলের ময়লা ও ক্ষতিকারক পদার্থ দূর করে। মাসে অন্তত একবার এই ফিল্টার পরিষ্কার করা উচিত। তবে ফিল্টারের উপকারী ব্যাকটেরিয়া যাতে নষ্ট না হয়, সে দিকেও খেয়াল রাখা উচিত।

বহু মানুষের ধারণা, মাছকে বেশি খাবার দিলে তারা বেশি সুস্থ থাকবে। কিন্তু আদতে তা হয় না। বেশি খাবার দিয়ে মাছ মরে যায়। এ ছাড়া অতিরিক্ত খাবার পচে গিয়ে জলকে দূষিত করে তোলে এবং এর থেকে মাছের নানা রোগ হয়। তাই মাছ ২-৩ মিনিটে যতটুকু খেতে পারে, ততটুকুই খাবার দিন।

অ্যাকোরিয়ামে গাছ থাকলে শুকনো বা পচা পাতা দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। জলের মধ্যে জমে থাকা ময়লাও নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। এতে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের বৃদ্ধি কমে যায়।

অ্যাকোরিয়ামের মাছ ও গাছ দু’য়ের জন্যই পর্যাপ্ত আলো প্রয়োজন। তবে সারাদিন অ্যাকোরিয়ামে আলো জ্বালিয়ে রাখলে অতিরিক্ত শ্যাওলা জন্মাতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা আলো জ্বালাতে পারেন।

ট্রপিক্যাল মাছের জন্য সাধারণত ২৪-২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা আদর্শ। প্রয়োজন হলে জলের তাপমাত্রা থার্মোমিটার দিয়ে মেপে নিন। এ ছাড়া এয়ার পাম্প বা অক্সিজেন সিস্টেম ব্যবহার করতে পারেন।

গাপ্পি, মলি এবং প্লাটি মাছ তুলনামূলকভাবে কম যত্নে ভালো থাকে। তাই যাঁরা প্রথমবার অ্যাকোরিয়াম করছেন, তাঁরা এই ধরনের মাছগুলো রাখতে পারেন।

সব ধরনের মাছ একসঙ্গে রাখা যায় না। আক্রমণাত্মক মাছের সঙ্গে শান্ত স্বভাবের মাছ রাখলে সমস্যা হতে পারে। টেট্রা, মলি, গাপ্পি ও কোরিডোরাসের মতো মাছ একসঙ্গে ভালো ভাবে থাকতে পারে।

মাছ যদি খাবার না খায়, এক জায়গায় চুপচাপ থাকে বা শরীরে দাগ দেখা যায়, তা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *