বিদ্রোহীদের ফেরাতে আসরে এ বার মমতাও
এই প্রেক্ষিতেই জোড়াফুলের পরিষদীয় দলের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ কালীঘাটের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিক্ষুব্ধদের অসন্তোষ দূর করতে নিজেই বিধায়কদের ফোন করা শুরু করেছেন বলে দলীয় সূত্রের খবর। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি কালীঘাটের পাশে থাকা তৃণমূলের কয়েকজন বিধায়কও বিদ্রোহীদের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু করেছেন। বিক্ষুব্ধদের মনজয় করতে মমতা নিজে যে উদ্যোগী হয়েছেন, সেই খবরও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, আখরুজ্জমান, সন্দীপন সাহা সহ বিদ্রোহীদের কাছে রয়েছে। এই আবহে নিজেদের স্ট্র্যাটেজি ঠিক করতে বৃহস্পতিবার বিধানসভার বিরোধী কক্ষে দীর্ঘ সময় ধরে বৈঠক করে বিদ্রোহী শিবির। সেখানে মমতার ফোন করার বিষয়টিও আলোচিত হয়েছে বলে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক বিধায়ক দাবি করেছেন। তবে প্রকাশ্যে এখনও কোনও বিদ্রোহী বিধায়ক স্বীকার করেননি যে তাঁর কাছে মমতার ফোন এসেছে। এ দিন বিধানসভায় তৃণমূলের বিদ্রোহী পরিষদীয় শিবিরের বৈঠকের পরে পাঁচলার বিধায়ক গুলশন মল্লিক, সিতাইয়ের বিধায়ক সঙ্গীতা বসুনিয়া অবশ্য ভিন্ন সুরে কথা বলতে শুরু করেছেন। বিধানসভার প্রেস কর্নারে দীর্ঘদিনের বিধায়ক গুলশন বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী মেনেই আমরা রেজ়োলিউশনে সই করেছি, তাঁকে তৃণমূলের পরামর্শদাতা বলা হবে–– এটা আমি মানব না। হাওড়া জেলার ৬–৭ জন বিধায়কও এটা মানবে না। কালীঘাটে আমরা যে বৈঠক করেছিলাম সেখানেও অন্তত ৬৮ জন সই করেছিলেন।’ কোচবিহারের সিতাইয়ের বিধায়ক সঙ্গীতা বসুনিয়া বলেন, ‘আমার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঋতব্রতও তো মমতাকে নেত্রী বলেছেন।’