Congress on TMC: রাতারাতি কংগ্রেসে যোগদান একের পর এক ডাকাবুকো TMC নেতার! ‘দাগী-দ্বন্দ্বে’ প্রকাশ্যে হাত শিবিরের গোষ্ঠী-কোন্দল | Internal Congress Controversy in Jalpaiguri Over Trinamool Leaders Joining the Party
দ্বন্দ্ব কংগ্রেসের অন্দরেই Image Credit: TV 9 Bangla
জলপাইগুড়ি: ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। ছত্রখান হয়ে গিয়েছে মমতার সাধের ঘাসফুলের বাগান। নিজের দলে নিজেই কোণঠাসা অভিষেক। এই আবহে এবার তৃণমূল স্তরের তৃণমূল কর্মীদের ডাকছে কংগ্রেস। খুলে গিয়েছে হাত শিবিরের দরজা। একদিন আগেই সে কথা বলতে শোনা গিয়েছিল প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে। এরইমধ্যে আবার দাগী তৃণমূল কর্মীদের যোগদান করানো নিয়ে দ্বিখণ্ডিত জলপাইগুড়ি জেলা কংগ্রেস। প্রকাশ্যে কংগ্রেসের যুব ও মাদার দ্বন্দ্ব।
প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের আহ্বানে সারা দিয়ে বুধবার বিকেলে জাতীয় কংগ্রেসের জলপাইগুড়ি জেলা কার্যালয় রাজীব ভবনে ছিল প্রথম যোগদান সভা। কিন্তু প্রথম দিনেই ছন্দপতন। তা নিয়েই চাপানউতোর জলপাইগুড়ির রাজনৈতিক আঙিনায়। তৃণমূল নেতাদের কংগ্রেসে যোগদানের খবর চাউর হতেই জেলা দপ্তরে দলবল নিয়ে সটান হাজির যুব কংগ্রেস জেলা সভাপতি নব্যেন্দু মৌলিক। এই যোগদানের তীব্র বিরোধিতা করেন তিনি।
বুধবার ঘাসফুল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসের পল হাসান প্রধান এবং মলয় রায়। দু’জনেই আবার তৃণমূলের জেলা কমিটির সদস্য ছিলেন। তাঁদের যোগদানের খবর পেয়েই ছুটে যান যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি নব্যেন্দু মৌলিক। তাঁর সাফ কথা, দাগী তৃণমূল নেতাদের কংগ্রেসে যোগদান নিয়ে যুব কংগ্রেস বা ছাত্র পরিষদ নেতৃত্ব কিছুই জানে না। তাদের অন্ধকারে রেখে দাগী তৃণমূল নেতাদের কংগ্রেসে যোগদান করানো হচ্ছে। এদের দলে নেওয়া নিয়ে বৈঠক করে কোনও লিখিত সিদ্ধান্ত হয়নি। তাই এই যোগদান অবৈধ। যুব কংগ্রেস এসব কোনও অবস্থাতেই মেনে নেবে না। এসব ঠেকাতে প্রয়োজনে যুব কংগ্রেস একলা চলবে।
অন্যদিকে জলপাইগুড়ি জেলা কংগ্রেস সভাপতি অমিত ভট্টাচার্য্য বলেন, “যা করা হয়েছে তা প্রদেশ নেতৃত্বের নির্দেশ অনুযায়ী করা হয়েছে। যুব কংগ্রেস নেতাদের জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”