TMC leader Wealth Controversy: সিপিএম নেতার গাড়ি চালাতেন, তৃণমূলে যোগ দিয়েই 'রাজপ্রাসাদের' মালিক | Questions Raised Over TMC Leader Amit Raut’s Rapid Rise in Wealth in Panskura - 24 Ghanta Bangla News
Home

TMC leader Wealth Controversy: সিপিএম নেতার গাড়ি চালাতেন, তৃণমূলে যোগ দিয়েই ‘রাজপ্রাসাদের’ মালিক | Questions Raised Over TMC Leader Amit Raut’s Rapid Rise in Wealth in Panskura

Spread the love

কী বলছে বিজেপি, সিপিএম?Image Credit: TV9 Bangla

পাঁশকুড়া: কয়েক বছরের ব্যবধান। সিপিএম আমলে এক বাম নেতার গাড়ির চালক ছিলেন। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলে যোগ দেন। আর তারপরই বদলে গেল সবকিছু। এখন তাঁর বাড়ির দিকে তাকিয়ে চোখ সরাতে পারেন না পথচারীরা। অবশ্য বাড়ি বললে ভুল হবে। রীতিমতো রাজপ্রাসাদ। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার ওই তৃণমূল নেতা অমিত রাউতের  এই ‘বাড়াবাড়ি’ হল কীভাবে? কী বলছে বিজেপি, সিপিএম?

পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি পম্পা সাঁতরা রাউত। তাঁর স্বামী অমিত রাউত ওরফে ভানু। পালাবদলের আগে সিপিএম করতেন। সিপিএমের তৎকালীন পাঁশকুড়ার ব্লক সভাপতি ইন্দ্রনীল চক্রবর্তীর গাড়ির চালক ছিলেন অমিত। ২০১১ সালে পালাবদলের পরে তৃণমূলের যোগদান করেন। ২০১৩ সালে অমিত রাউত পাঁশকুড়া ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য হিসেবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন। তারপরই তৎকালীন মন্ত্রী এবং প্রভাবশালী নেতা সৌমেন মহাপাত্রের ঘনিষ্ঠ হন বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য। এরপর রকেটের গতিতে উত্থান হয় অমিতের।

কলকাতা মুম্বই ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন একাধিক জমি কেনাবেচা করতে শুরু করেন অমিত। তৎকালীন মন্ত্রী সৌমেনের প্রভাব খাটিয়ে জাতীয় সড়কে নিজেদের জমি সংলগ্ন এলাকাতে সরকারি ব্রিজ তৈরি করে জায়গার দাম বাড়িয়ে নেন বলে অভিযোগ। সরকারি খাস জমিকে ভুয়ো কাগজপত্র বানিয়ে বিক্রি করার অভিযোগ ওঠে অমিত রাউতের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের প্রভাব খাটিয়ে রীতিমতো ফুলে ফেঁপে ওঠেন।

পাঁশকুড়ার মেছোগ্রামে প্রাসাদের মতো বাড়ি তৈরি করেছেন অমিত। সামনে রয়েছে লন। বাড়ি লাগোয়া রয়েছে বড় মন্দির। কীভাবে করলেন এত বড় বাড়ি? কীভাবে কিনলেন এত জমি? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই নিয়ে অমিত এবং তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগে চেষ্টা করা হয়, তবে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই নিয়ে তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলার সদ্য প্রাক্তন জেলা সভাপতি সুজিত রায় বলেন, “বাড়ি কেউ করতেই পারেন। কিন্তু, ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে নাকি অন্য কোনও জায়গা থেকে ঋণ নিয়ে বাড়ি করেছেন কি না, তা তো জানি না।”

কী বলছে সিপিএম ও বিজেপি?

বিজেপির কেশাপাট মণ্ডলের সহ-সভাপতি প্রসেনজিৎ পাল বলেন, “আমরা যতদূর জানি, ২০০৮ সাল থেকে সিপিএম নেতা ইন্দ্রনীল চক্রবর্তীর গাড়ি চালাতেন। ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় এল। তারপর থেকে ওঁর উত্থান। ধীরে ধীরে জমি মাফিয়াদের সঙ্গে যুক্ত হন। সমস্ত দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হন। সরকারি জমিও বিক্রি করেন। আমরা চাইছি, তাঁর সম্পত্তি নিয়ে তদন্ত হোক।” পূর্ব মেদিনীপুরের সিপিএমের জেলা সম্পাদক নিরঞ্জন সিহি বলেন, “সারা রাজ্যে যে তোলাবাজি, দুর্নীতি হচ্ছে, তা এখানেও হয়েছে। তার ফলে বড় বাড়ি করেছেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *