Sourav Ganguly; এই টালমাটাল আবহে সৌরভ গাঙ্গুলিকে নিয়ে বড় আপডেট! | Sourav Gangulys security has been downgraded by the state government
কলকাতা: রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদল হওয়ার এক মাসও পূর্ণ হয়নি। এর মধ্যেই রাজ্যে একের পর এক বদল ঘটেছে। তবে এবার আরও একটি খবর শোনা গিয়েছে রাজ্যের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের নিয়ে। সাধারন মানুষের সঙ্গে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের নিয়েও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বদল করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক প্রশাসনিক বৈঠকের পর তাঁর নিরাপত্তা ক্যাটাগরি কমানো হয়েছে সরকারের তরফে।
সরকারের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এবার থেকে সৌরভের নিরাপত্তা ক্যাটাগরি ‘Z’ থেকে কমিয়ে ‘Y’ করা হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে সৌরভের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীর সংখ্যা কমে যাবে। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভাল, ২০২৩ সালে সৌরভের নিরাপত্তা ‘Y’ থেকে বাড়িয়ে ‘Z’ করেছিল তৎকালীন তৃণমূল সরকার।
Y ক্যাটাগরিতে থাকাকালীন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে স্পেশাল ব্রাঞ্চের ৩ জন পুলিশ কর্মী থাকতেন ও তাঁর বেহালার বাড়ি পাহারা দেওয়ার জন্যও ৩ জন পুলিশ মোতায়েন থাকত। পরে ‘Z’ ক্যাটাগরি হওয়ার পর তাঁকে ৮-১০ জনের একটি দল নিরাপত্তা দিত, তবে এবার সেই নিরাপত্তা কমানো হল।
কেন নিরাপত্তা কমল সৌরভের?
রাজ্য সরকার জানিয়েছে, নিয়মিত নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সব জায়গায় রাজ্যের বিভিন্ন ব্যক্তি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নেতা, ক্রীড়াবিদের নিরাপত্তা বেশ কিছু সময় অন্তর মূল্যায়ন করা হয়। সেই মতোই সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। তবে রাজ্যের নতুন নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুযায়ী, বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে সৌরভের আর Z ক্যাটাগরির নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। এই নিরাপত্তা দেওয়ার সময়ে দেখা হয় কার কতটা ‘লাইফ থ্রেট’ রয়েছে। সেই দিক থেকেও বিচার করেও দেখা হয়েছে, এই মুহূর্তে সৌরভের জীবনে এমন কোনও ঝুঁকি নেই, যে কারণে তাঁকে Z ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হবে।
নিরাপত্তা কমে যাওয়ার পর সৌরভের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। যদিও বিসিসিআই-য়ের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরার পর এখন তিনি সিএবি-র সভাপতির ভূমিকায় রয়েছেন। দিন দু’য়েক আগে আইপিএল ফাইনাল চলাকালীন তাঁকে আহমেদাবাদে বসে ম্যাচ উপভোগ করতে দেখা গিয়েছিল। তবে এত বড় একজন ক্রীড়া ব্যাক্তিত্বের নিরাপত্তা কমে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।