Assembly-Speaker: টেবিলে পেপার ওয়েটে চাপা অভিষেকের চিঠি! স্পিকারের ঘরে ঠিক কী ঘটেছে? ঋতব্রতর ‘নব তৃণমূল’ গঠনের আগের মুহূর্তে কুণালের ভিডিয়ো প্রকাশ্যে | Abhishek Banerjee’s Bid for Opposition Leader Status Rejected Again as Speaker Declines Letter
কলকাতা: অস্তিত্ব প্রমাণের মরিয়া চেষ্টাতেও ব্যর্থ আদি তৃণমূল। বিরোধী দলনেতার মর্যাদা চেয়ে ফের ব্যর্থ দলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকার রথীন্দ্র বসু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি গ্রহণ করলেন না। এই নিয়ে অভিষেক দু’বার চিঠি দেন। প্রথম চিঠিতেই উঠে আসে সই-জালের অভিযোগ। তার জন্য বিধানসভার প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি আইনের দ্বারস্থ হন। তদন্ত শুরু করে সিআইডি। মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনা মঞ্চ থেকে কুণাল ঘোষ-সহ আরও এক বিধায়ক স্পিকারের কাছে পৌঁছে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় চিঠি।
সেই চিঠি গৃহীত হয়নি। এদিকে, বুধবার সকালেই ৫৯ জন বিধায়কের সই নিয়ে বিধানসভায় ঢোকেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একে একে ৫৯ বিধায়ক বিধানসভায় যান। এখন স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করছেন তাঁরা। তাঁদের তাগিদ নব তৃণমূল তৈরি করা।
এই পরিস্থিতিতেই সামনে আসে কুণাল ঘোষের করা একটি ভিডিয়ো।
ভিডিয়োতে কী দেখা যাচ্ছে?
ভিডিয়োতে বোঝা যাচ্ছে, এই চিঠি যখন স্পিকারের ঘরে রেখে আসা হয়েছিল, তখন স্পিকার ঘরে ছিলেন না। কুণাল ঘোষকে বলতে শোনা যাচ্ছে, “বিধানসভায় এসেছি, মাননীয় স্পিকারের কাছে এই চিঠি জমা দিতে (চিঠিটিও দেখান তিনি)। স্পিকারের সচিব রয়েছেন। স্পিকার সচিবের নির্দেশ দিয়েছেন, কোনও চিঠি জমা দেওয়া চলবে না। গতকাল একটা চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে। সচিব বাবলুবাবু নিয়ম মাফিক সহযোগিতা করেছেন। তারপর স্পিকার সাহেব বলে দিয়েছেন, কোনও চিঠি নেওয়া যাবে না। এটা কোনও কথা! এটা কীভাবে হতে পারে, দুজন বিধায়ক এসেছেন, চিঠি জমা নেবেন না। আমি টেবিলে চিঠি রেখে গেলাম।” পেপার ওয়েট দিয়ে চাপা দিয়ে রেখে আসেন তাঁরা। কুণাল ঘোষেদের প্রশ্ন, কীভাবে মৌখিকভাবে সচিবদের স্পিকার নির্দেশ দিয়ে রাখতে পারেন, কোনও চিঠি নেওয়া চলবে না।
বুধবার বিধানসভায় যখন ‘নতুন তৃণমূল’ আত্মপ্রকাশের পথে, তখন এই ভিডিয়ো ‘আদি তৃণমূলের’ পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে আনা হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে, যাতে কোনও আবেদনের চিঠি গৃহীত না করা হয়, আগে থেকে স্পিকারের তরফ থেকে সচিবদের মৌখিক নির্দেশ দিয়ে দেওয়া হয়।