বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা! খোদ মোদী রাজ্যেই আটক ২৯০ অবৈধ বাংলাদেশি - 24 Ghanta Bangla News
Home

বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা! খোদ মোদী রাজ্যেই আটক ২৯০ অবৈধ বাংলাদেশি

Spread the love

আহমেদাবাদ: এ যেন বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা। খোদ মোদী রাজ্যেই লুকিয়ে রয়েছে অনুপ্রবেশকারীরা। (Bangladeshi)গভীর রাতে নীরব শহরের কয়েকটি এলাকায় হঠাৎ করেই নেমে আসে পুলিশের বড় টিম। আলো জ্বলে …

আহমেদাবাদ: এ যেন বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা। খোদ মোদী রাজ্যেই লুকিয়ে রয়েছে অনুপ্রবেশকারীরা। (Bangladeshi)গভীর রাতে নীরব শহরের কয়েকটি এলাকায় হঠাৎ করেই নেমে আসে পুলিশের বড় টিম। আলো জ্বলে ওঠে চাঁদোলা, গুলাবনগর, খোদিয়ারনগরসহ আশপাশের অঞ্চলে। আহমেদাবাদ পুলিশ ও ক্রাইম ব্রাঞ্চের যৌথ অভিযানে এক রাতেই আটক হয়েছে ২৯০ জনের বেশি সন্দেহভাজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। এর মধ্যে ১৩১ জনকে ইতিমধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং বাকি ১৬০ জনের উপর চলছে তীব্র জিজ্ঞাসাবাদ।

ক্রাইম ব্রাঞ্চের জয়েন্ট কমিশনার শরদ সিংহাল জানিয়েছেন, “আমরা বিভিন্ন এলাকায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই মেগা সার্চ অপারেশন চালিয়েছি। অনেকেই জাল আধার কার্ড, ভোটার আইডি ও অন্যান্য নথি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এখানে বসবাস করছিলেন। তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে।” অভিযানটি শুরু হয় মধ্যরাতের পর। পুলিশ, ক্রাইম ব্রাঞ্চ, এসওজি এবং স্থানীয় থানার টিম মিলিয়ে শতাধিক সদস্য অংশ নেন।

আরও দেখুনঃ মমতাই নেত্রী, তবু ভাঙল দল! ঋতব্রতের ‘নব তৃণমূল’ শিবিরে কোন কোন হেভিওয়েটরা?

চাঁদোলা লেক এলাকা ও আশেপাশের ঘনবসতিপূর্ণ স্লাম এলাকায় বিশেষ নজর দেওয়া হয়।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, অনেকদিন ধরেই এসব এলাকায় অবৈধ বাসিন্দাদের সংখ্যা বেড়ে চলছিল। একজন স্থানীয় যুবক জানান, “রাত তিনটার দিকে হঠাৎ অনেকগুলো পুলিশের গাড়ি ঢুকতে দেখি। তারা দরজায় দরজায় গিয়ে নথি যাচাই করছিল। কয়েকজনকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা তো ভয়েই ছিলাম, কিন্তু পরে জানলাম এটা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান।”

অনেক পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ বলছেন, তাদের প্রতিবেশীরা হঠাৎ উধাও হয়ে গেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অনেকেই পশ্চিমবঙ্গ হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন বলে প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। জাল নথি তৈরির একটি চক্রও সক্রিয় ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদে মানবপাচার, জালিয়াতি এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়গুলো উঠে আসছে।

এই অভিযান শুধু আহমেদাবাদেই সীমাবদ্ধ নয়। গুজরাটের বিভিন্ন শহরে, বিশেষ করে সুরাটেও একই ধরনের অভিযান চলছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংহভি এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় নয়। যারা আইন মেনে থাকবেন তাদের কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু যারা জাল নথি নিয়ে দেশের নিরাপত্তা ও সম্পদের উপর চাপ সৃষ্টি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, অভিযানের সময় যেন নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার না হন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, প্রত্যেকের নথি যাচাই করে শুধুমাত্র সন্দেহভাজনদেরই আটক করা হয়েছে। যাদের বৈধ কাগজপত্র আছে, তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *