চার মাসের পরকীয়ায় দাঁড়ি, প্রেমিককে খুনের পর মিক্সার দেহ কুচোলেন অভিযুক্তরা
ফতেপুরের পুলিশ সুপার অভিমন্যু মাঙ্গলিক জানান, ডিজিটাল প্রমাণ খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে অভিযুক্তদের মোবাইল ফোনে অপরাধ, শাস্তি এবং তদন্ত সংক্রান্ত নানা বিষয় সার্চ করা হয়েছিল। ইউটিউব ও ইন্টারনেটে কী ভাবে খুনের প্রমাণ মুছে ফেলা যায়, সেই সম্পর্কিত তথ্যও খোঁজা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।
ইতিমধ্যেই কমতা প্রসাদ এবং কিরণ দেবীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের বক্তব্য, ডিজিটাল ও ফরেন্সিক প্রমাণের ভিত্তিতেই গোটা ঘটনার পুনর্গঠন করা হয়েছে। DNA রিপোর্ট হাতে এলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।