৭ দিনের বালোচ আক্রমণে রক্তাক্ত পাকিস্তান! ১৩ জন নিহত-বিপ্লবীদের হাতে সড়কের নিয়ন্ত্রণ - 24 Ghanta Bangla News
Home

৭ দিনের বালোচ আক্রমণে রক্তাক্ত পাকিস্তান! ১৩ জন নিহত-বিপ্লবীদের হাতে সড়কের নিয়ন্ত্রণ

Spread the love

কোয়েটা: বালুচিস্তানে অস্থিরতা অব্যাহত। এই আবহেই বালোচ লিবারেশন আর্মি (BLA attacks) এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যে, গত ২৩ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মাত্র নয় দিনে তারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনী, …

কোয়েটা: বালুচিস্তানে অস্থিরতা অব্যাহত। এই আবহেই বালোচ লিবারেশন আর্মি (BLA attacks) এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যে, গত ২৩ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মাত্র নয় দিনে তারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনী, পুলিশ ও তথাকথিত ‘ডেথ স্কোয়াড’-এর বিরুদ্ধে ২২টি সংগঠিত অভিযান চালিয়েছে। এতে ১৩ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন বলে তারা জানিয়েছে।

বিএলএ আরও দাবি করেছে, এ সময় তারা বালুচিস্তানেbla-attacks-balochistan-pakistan-security-forces-may-2026র গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সেতুগুলোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে এবং সেনাবাহিনীর লজিস্টিক সাপ্লাইয়ের উপর ব্যাপক আঘাত হেনেছে।বিএলএ-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের যোদ্ধারা বিভিন্ন এলাকায় সেনা ও পুলিশের যৌথ টহল দলের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনাটি ঘটেছে ২৩ মে কোয়েটার পাঞ্জাপাই এলাকায়।

আরও দেখুনঃ ৫ থেকে একলাফে ৪০! শুভেন্দু মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ, রাজভবনে শপথ নিলেন ৩৫ জন

সেখানে বিএলএ যোদ্ধারা সেনাবাহিনী ও সিটিডি’র একটি যৌথ কনভয়কে লক্ষ্য করে রিমোট কন্ট্রোল্ড বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণে দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ৪ জন সিটিডি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরবর্তী অ্যামবুশে আরও ৩ জন সেনা সদস্য নিহত হন। এই সংঘর্ষে বিএলএ-এর যোদ্ধা সাঙ্গাত চক্র শহীদ হন। একই দিন খারানের গুরুক এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি যানবাহনে আইইডি হামলা এবং নুশকির মাল এলাকায় কোয়েটা-তাফতান মহাসড়কে পাঁচটি লজিস্টিক যানে আগুন দেওয়া হয়।

২৪ মে মাস্তুংয়ের কুর্দগাপ ও কাঙ্ক এলাকায় দুটি পৃথক অভিযানে চারজন সেনা সদস্য নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। একই দিন বাবরিতে কোয়েটা-তাফতান রুটে আটটি সাপ্লাই যান পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরের দিন ২৫ মে বাসিমায় শামসি এয়ারবেসে জ্বালানি সরবরাহকারী একটি তেলের ট্যাঙ্কার আটক করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মাস্তুংয়ের কুর্দগাপে আরও চারটি যান ধ্বংস করা হয়। পাঞ্জগুরের চিতকানে ডেপুটি কমিশনারের অফিসের নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের উপর হ্যান্ড গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।

সবচেয়ে কৌশলগত আঘাত আসে ২৬ মে। বিএলএ যোদ্ধারা দালবন্দিনে কোয়েটা-তাফতান মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ সোরঘাম সেতু এবং খারান-কোয়েটা মহাসড়কের একটি কেন্দ্রীয় সেতু উড়িয়ে দেয়। এতে শত্রুপক্ষের স্থল যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে দাবি করা হয়েছে। একই দিন সারওয়ান ও নুরুজ কলাত এলাকায় কয়েক ঘণ্টার জন্য মহাসড়ক অবরোধ করে নিয়ন্ত্রণ নেয় যোদ্ধারা।

নুশকির জাঙ্গালাত এলাকায় চারটি সাপ্লাই যান পুড়িয়ে ফেলা হয়। কালাতের গ্রোপ এলাকায় জল সরবরাহকারী সেনাদের উপর হামলায় একজন নিহত ও দুজন আহত হন।বিএলএ-এর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এসব অভিযানের সময় তাদের গোয়েন্দা শাখা ‘জারব’-এর তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকজন ‘ডেথ স্কোয়াড’ সদস্যকে আটক করা হয়েছে এবং বেশ কিছু অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সংঘর্ষের জবাবে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার থেকে বেসামরিক এলাকায় নির্বিচারে গোলাবর্ষণ করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *