ভারতের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো বাংলাদেশি মইনুল কিভাবে এল দিল্লিতে? বাড়ছে রহস্য - 24 Ghanta Bangla News
Home

ভারতের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো বাংলাদেশি মইনুল কিভাবে এল দিল্লিতে? বাড়ছে রহস্য

Spread the love

নয়াদিল্লি: বাংলাদেশ বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ভারতের। ভারতের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো ব্যাক্তিরা কিভাবে ভারতের ভিসা পাচ্ছে তা নিয়ে রয়ে যাচ্ছে রহস্য (Moinul Islam)। বাংলাদেশের মইনুল ইসলাম নামে এক …

নয়াদিল্লি: বাংলাদেশ বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ভারতের। ভারতের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো ব্যাক্তিরা কিভাবে ভারতের ভিসা পাচ্ছে তা নিয়ে রয়ে যাচ্ছে রহস্য (Moinul Islam)। বাংলাদেশের মইনুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি, যিনি ‘লাইফ ইজ বিউটিফুল’ নামে ফেসবুক পেজ চালিয়ে ভারত ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক প্রচার চালান বলে অভিযোগ, তিনি এখন দিল্লিতে রয়েছেন। ভারতীয় ভিসা পেয়ে দেশে এসে তিনি এখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয়দের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করে যাচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

এই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন উঠেছে ভারত-বিরোধী উপাদানদের কীভাবে বারবার ভিসা দেওয়া হয়?মইনুল ইসলামের ফেসবুক পেজটি বাংলাদেশে বেশ পরিচিত। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি নিয়মিত ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপমূলক পোস্ট করেন, হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে অশালীন ভাষায় আক্রমণ করেন এবং ভারতীয়দের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেন। এমনকি ভারতে এসেও তিনি কমেন্ট সেকশনে একই ধরনের মন্তব্য চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

আরও দেখুনঃ ‘আমিও খেলতে জানি’, দল ভাঙােনের রাজনীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার

এই ঘটনা অনেকের কাছে বিস্ময়কর ও উদ্বেগজনক বলে মনে হচ্ছে।ভারতের ভিসা নীতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন উঠছে। অনেকে বলছেন, যাঁরা ভারতের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ান, তাঁদের ভিসা দেওয়ার আগে সঠিকভাবে ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করা হয় না। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে আসা কিছু ধর্মীয় ব্যক্তি ও প্রচারকের ক্ষেত্রে এ ধরনের অভিযোগ বারবার উঠেছে। সাধারণ নাগরিকরা প্রশ্ন তুলছেন, যখন ভারতীয়দের অন্য দেশে ভিসা পেতে কড়া নিয়মের মুখে পড়তে হয়, তখন ভারত-বিরোধীদের কীভাবে সহজে ভিসা মঞ্জুর করা হয়?

একজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী লিখেছেন, “একদিকে আমাদের দেশে অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে কড়া নজরদারি, অন্যদিকে যাঁরা ঘৃণা ছড়ান তাঁরা ভিসা নিয়ে দেশের ভিতরে এসে বসে থাকেন। এটা কোন যুক্তি?” অনেকে মনে করছেন, এ ধরনের ঘটনা জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ধর্মীয় উগ্রবাদ ও ভারত-বিরোধী প্রচার যাতে ভারতের মাটিতে না ছড়ায়, সেদিকে কঠোর নজর রাখার দাবি উঠছে।

বিদেশ মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে এ বিষয়ে তথ্য চেয়েছেন কয়েকজন সাংসদ ও নাগরিক অধিকার কর্মী। তাঁরা জানতে চেয়েছেন, মইনুল ইসলামের ভিসা আবেদনের সময় তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকটিভিটি খতিয়ে দেখা হয়েছিল কি না। যদি না হয়ে থাকে, তাহলে ভিসা প্রক্রিয়ায় আরও কড়াকড়ি আনার দাবি জানানো হয়েছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *