জাপানি এনকেফালাইটিসের ছদ্মবেশ পাকড়াও, দিশা আইআইসিবি–র গবেষণায়
এই গবেষণার নেতৃত্বে রয়েছেন আইআইসিবি-র ইনফেকশাস ডিজ়িজ়েস অ্যান্ড ইমিউনোলজি ডিভিশনের গবেষক সৌরীশ ঘোষ। গবেষণাপত্রের প্রথম লেখক (ফার্স্ট অথর) ভাগ্যশ্রী মল্লিক। এ ছাড়াও গবেষণায় সামিল ছিলেন অনন্যা মণ্ডল, অঙ্কিতা সরকার, তমোঘ্ন চক্রবর্তী, খাদিজা খান, দিলীপ কুমার এবং সুভাষচন্দ্র বিশ্বাস। তাঁদের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, জাপানি এনকেফালাইটিস ভাইরাস সংক্রমিত কোষ থেকে সরাসরি বেরিয়ে আসে না। বরং শরীরের নিজস্ব ক্ষুদ্র বুদবুদ-সদৃশ পরিবহণ ব্যবস্থা, যাকে ‘স্মল এক্সট্রাসেলুলার ভেসিকল’ বলা হয়, তার ভিতরে নিজেকে লুকিয়ে অন্য কোষে পৌঁছয়। বিজ্ঞানীদের মতে, এই পদ্ধতিতে ভাইরাস শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার নজর এড়িয়ে আরও দক্ষতার সঙ্গে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।