Sukanta on Kalyan: কল্যাণের কাঁদো-কাঁদো মুখ, মনে করালেন সেই ডায়লগ, 'আয় সুকান্ত আয়...' | Sukanta Majumdar give reaction after giving kalyan banerjee was attak in chanditala - 24 Ghanta Bangla News
Home

Sukanta on Kalyan: কল্যাণের কাঁদো-কাঁদো মুখ, মনে করালেন সেই ডায়লগ, ‘আয় সুকান্ত আয়…’ | Sukanta Majumdar give reaction after giving kalyan banerjee was attak in chanditala

Spread the love

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুকান্ত মজুমদারImage Credit: Sonu Mehta/HT via Getty Images

কলকাতা: ‘আয় শ্রীরামপুরে…তারপর তুই ঘরে ফিরিস কীভাবে দেখব…’ ঠিক এই ভাষাতেই খুব বেশি দিন নয়, গত বছরের অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) হুমকি দিয়েছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। নিজের সংসদীয় কেন্দ্র শ্রীরামপুরে সুকান্ত (Sukanta) এলে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন কল্যাণ। বছর ঘুরেছে, পালা বদলেছে। আজ নিজের এলাকাতেই মার খেলেন সেখানকারই সাংসদ কল্যাণ। তা শুনে সুকান্ত বললেন, “সুকান্ত তো বহাল তবিয়তে ঘুরছে, ওইখানকার জনতাই মনে হয় কল্যাণের কল্যাণ করে দেব।

আজ কী ঘটেছে?

তৃণমূল কর্মীদের উপর আক্রান্তের ঘটনায় হুগলির চণ্ডিতলা থানায় ডেপুটেশন জমা দিতে গিয়েছিল তৃণমূল। সেখানে পৌঁছন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তখনই তাঁকে দেখে ‘চোর-চোর’ স্লোগান ওঠে। কালো পতাকা দেখানো হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি এই ঘটনার পিছনে বিজেপি রয়েছে। তবে, অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। সাংসদ কল্যাণের অভিযোগ, তিনি হেঁটে আসছিলেন। সেই সময় জনা পাঁচ ছ’জন তাঁকে লক্ষ্য করে বল ছোড়ে। তিনি পড়ে যান। আহত সাংসদ কাঁদতে শুরু করেন।

একটা সময় ছিল যখন রাজ্যের ক্ষমতার বদল হয়নি, তৃণমূল ছিল ক্ষমতায়। সেই সময় সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপির সাংসদ তথা কেন্দ্রের মন্ত্রীকে হুমকি দিয়েছিলেন। যা নিয়ে কম শোরগোল পড়েনি। অশ্রাব্য ছিল তাঁর মুখের ভাষা। সামান্য সৌজন্য বোধটুকু নজরে আসেনি। তুই-তু কারি করে মন্তব্য করেছিলেন সুকান্তর উদ্দেশ্যে। সর্বশেষে বলেছিলেন, “বাংলার মানুষকে চিনিস না…ওই দু’চারটে সুকান্ত…হাওয়া দিয়ে উড়ে যাবে। আয় না একবার বক্তৃতা দিতে আমাদের এখানে। আয় তুই শ্রীরামপুরে। তারপর তুই ঘরে ফিরিস কীভাবে দেখব।”

আজ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোথাও যেতে হয়নি। নিজের এলাকায় নিগ্রহের শিকার তিনি। এটা দেখে প্রথমে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমরা গণতন্ত্রে হিংসার কোনও স্থান নেই বলেই মনে করি। এটা কাম্য নয়। তদন্ত করে দেখব। কারণ অভিষেকের বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে তো দেখা গেল সবটাই তৃণমূলেরই গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব তাহলে কি কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়ের বেলায় কি অন্য কেউ। এক সময় উনি বলেছিলেন আয় সুকান্ত আয়…সুকান্ত তো বহাল তবিয়তে ঘুরছে আর জনতা কল্যাণের কল্যাণ করছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *