রেলের অভিযানে বরাকরে গৃহহীন ২০ গরিব পরিবার, দুর্গাপুরে ভাঙা হলো তৃণমূল কার্যালয়ও
এই ঝুপড়িতেই ঘর-সংসার ছিল হৈমন্তি দেবীর। তিনি বললেন, ‘বংশ পরম্পরায় এই এলাকায় প্রায় ৬০ বছর ধরে বাস করছি। পরিণতি এমন হবে, কখনও বুঝিনি।’ আর এক বাসিন্দা সুনীল কেওট বললেন, ‘পরিবার নিয়ে অথৈ জলে পড়লাম।’ তিনি জানালেন, মাসিক তিন হাজার টাকার নীচে ঘর ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। নিজে দিনমজুরের কাজ করেন। সংসারের খরচ বাদ দিয়ে ওই টাকায় ঘর ভাড়া নেওয়ার সামর্থ নেই। গৃহহীন প্রতিটি পরিবারেরই এক কথা। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, এক বছর ধরে একাধিক বার দখলকারীদের উঠে যাওয়ার নোটিস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কেউই কথা কানে তোলেননি। জমি দখলমুক্ত করা না-যাওয়ায় ফ্রেট করিডরের কাজ মাঝপথে থমকে রয়েছে বলে রেলের দাবি।