সোনারপুরে হামলার নেপথ্যে কারা? লাভলির অনুগামীদের নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক
সোনারপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee in Sonarpur) ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। জনতার বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ, …
সোনারপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee in Sonarpur) ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। জনতার বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ, স্লোগান এবং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির জেরে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee in Sonarpur) নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় বলে সূত্রের খবর। তবে দুটি হাসপাতাল ঘুরেও তাঁকে ভর্তি নেওয়া না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। একদিকে শাসক দল ঘটনাটিকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে দাবি করছে, অন্যদিকে বিরোধীরা এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ইতিমধ্যেই একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোনারপুরের ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee in Sonarpur) তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি, তবুও পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে একটি মামলা রুজু করেছে। সেই মামলার ভিত্তিতেই তদন্ত ও গ্রেফতারির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সূত্রের আরও দাবি, গ্রেফতার হওয়া ৬ জনের মধ্যে কয়েকজন একসময় সোনারপুর দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় ছিলেন এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতেন বলে জানা যাচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে এখনই কোনও রাজনৈতিক দল বা নেতার তরফে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের আজ বারুইপুর আদালতে পেশ করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তদের হেফাজতে নিয়ে পুরো ঘটনার নেপথ্য কারণ খতিয়ে দেখা হবে। কে বা কারা এই বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছিল, এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখছেন আধিকারিকরা।
ঘটনার তদন্তে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে শনিবার বিকালে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি এবং মোবাইল ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। এই ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার সময় কারা উপস্থিত ছিলেন এবং কারা সক্রিয়ভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিলেন, তা শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।