অখিল গিরির অফিসে পুলিশি অভিযান! উদ্ধার কাড়ি কাড়ি ত্রিপল-শাড়ি - 24 Ghanta Bangla News
Home

অখিল গিরির অফিসে পুলিশি অভিযান! উদ্ধার কাড়ি কাড়ি ত্রিপল-শাড়ি

Spread the love

পূর্ব মেদিনীপুর: বঙ্গের রাজনীতিতে ফের ত্রাণসামগ্রী আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। (Akhil Giri)পুলিশি অভিযান প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরির অফিসে। প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অখিল গিরির পার্টি …

পূর্ব মেদিনীপুর: বঙ্গের রাজনীতিতে ফের ত্রাণসামগ্রী আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। (Akhil Giri)পুলিশি অভিযান প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরির অফিসে। প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অখিল গিরির পার্টি অফিস থেকে বিপুল পরিমাণ ত্রিপল, শাড়ি ও ধুতি উদ্ধার হয়েছে। যেসব সামগ্রী বন্যা, ঘূর্ণিঝড় বা দুর্গত মানুষের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল, সেগুলো গরিবের ঘরে না পৌঁছে দলীয় অফিসে জমা করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনা রাজ্যে প্রকল্পের টাকা ও ত্রাণসামগ্রী রাজনৈতিক লাভের জন্য ব্যবহারের অভিযোগকে নতুন করে সামনে এনেছে।স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অখিল গিরির পার্টি অফিসে অভিযান চালিয়ে শত শত ত্রিপল, হাজার হাজার শাড়ি ও ধুতির স্তূপ উদ্ধার করা হয়। অনেক মালপত্র এখনও নতুন অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এইসব ত্রাণ বিতরণের কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু অনেক দরিদ্র পরিবার কিছুই পায়নি।

আরও দেখুনঃ “আগের সরকার মিথ্যে দোষারোপ করত!” ডিভিসির সঙ্গে সংঘাত ভুলে ‘সমন্বয়ে’ বার্তা শুভেন্দুর

এই উদ্ধার অভিযানের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের মতে এটা তৃণমূলের দুর্নীতির একটি ছোট উদাহরণ মাত্র। তারা আরও অভিযোগ করেছেন যে দলীয় অফিসকে গোডাউন বানিয়ে সরকারি ত্রাণ আটকে রেখে রাজনৈতিক লাভ করা হচ্ছে। স্থানীয় বিজেপি নেতাদের মতে “গরিবের মুখের অন্ন কেড়ে নিয়ে দলীয় কর্মীদের পকেট ভরানো হচ্ছে। এটা শুধু চুরি নয়, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।”

তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। দলের এক নেতা বলেছেন, “এসব মালপত্র হয়তো ভবিষ্যতের জন্য রাখা ছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই ইস্যুকে ফুলিয়ে তোলা হচ্ছে।” তবে স্থানীয় স্তরে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যেও চাপা অসন্তোষ দেখা যাচ্ছে। অনেকে চাইছেন, দল যেন এই ধরনের ঘটনা থেকে দূরে থাকে।

এই ঘটনা শুধু অখিল গিরির একার নয়, রাজ্যজুড়ে ত্রাণ বিতরণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লক্ষ্মীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথীসহ নানা প্রকল্পের টাকা ও সামগ্রী যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়, তাহলে সত্যিকারের প্রয়োজনীয় মানুষ বঞ্চিত হয়। পশ্চিমবঙ্গে বারবার এমন অভিযোগ ওঠায় সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভ জমছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর তালিকা তৈরি করা হচ্ছে এবং সেগুলো যথাযথভাবে দুর্গতদের মধ্যে বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। কারা এই মালপত্র অফিসে জমা করেছিল, কোন প্রকল্প থেকে এসেছে সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *