Bangladeshi Infiltrators 3D Policy: 'প্রথমে ডিম-মাছ-ভাত, পরে শাক-ভাত, শেষে ভাত! তারপর না খেয়ে মরবে সব, আমরা দায় নেব কেন? সরকার কোনও দিকে তাকাবে না', কড়া বার্তা দিলীপের | ‘Holding Centre e Masher Por Mash Pochte Hobe’: Dilip Ghosh on Bangladesh Infiltrators Amid Govt’s 3D Policy - 24 Ghanta Bangla News
Home

Bangladeshi Infiltrators 3D Policy: ‘প্রথমে ডিম-মাছ-ভাত, পরে শাক-ভাত, শেষে ভাত! তারপর না খেয়ে মরবে সব, আমরা দায় নেব কেন? সরকার কোনও দিকে তাকাবে না’, কড়া বার্তা দিলীপের | ‘Holding Centre e Masher Por Mash Pochte Hobe’: Dilip Ghosh on Bangladesh Infiltrators Amid Govt’s 3D Policy

Spread the love

দিলীপ ঘোষ, গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীImage Credit: TV9 Bangla

কলকাতা: ডিটেক, ডিলিট, ডিপোর্ট- সরকারের এই 3D নীতিতে এখন কুপোকাত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। ইতিমধ্যেই তাঁদের ডিপোর্টের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। এবার এই অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বললেন, হোল্ডিং সেন্টারে যে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, ওখানে মাস মাস পচতে হবে ওঁদেরকে।”

শুক্রবারই ৮০ জনের মতো অনুপ্রবেশকারী হাকিমপুর সীমান্তের চেকপোস্টে হাজির হন। তবে এ দিন কাউকেই সীমান্ত পারে যেতে দেওয়া হয়নি। বিকেলের দিকে পুলিশ ও প্রশাসনের উদ্যোগে সীমান্তে জড়ো হওয়া বাংলাদেশিদের নিয়ে যাওয়া হয় হোল্ডিং সেন্টারে। উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরে তিনটি জায়গায় হোল্ডিং সেন্টার করা হয়েছে। সেন্টারগুলি করা হয়েছে তেঁতুলিয়া পথের সাথী, মেদিয়া ও চারঘাট এলাকায়। মঙ্গলবার হাকিমপুর সীমান্তে জড়ো হওয়া বাংলাদেশিদের রাতেই পুলিশ নিয়ে যায় হোল্ডিং সেন্টারে। ১১ টা জেলায় হোল্ডিং সেন্টার খোলা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় রোজই ধরা পড়ছে, কীভাবে নিত্য ভিড় জমছে হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে!

এই প্রসঙ্গেই সাংবাদিকদের সামনে দিলীপ ঘোষ বলেন, “না খেয়ে থাকবে, অসুস্থ হয়ে মরবে সব, কারণ আমরা কোনও দায় নেব না। ভালোয় ভালোয় চলে যান।” TV9 বাংলা মুর্শিদাবাদের লালগোলার হোল্ডিং সেন্টার নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছিল। সেখানে এক ফুড ডেলিভারি সংস্থার কর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। তিনি জানিয়েছিলেন হোল্ডিং সেন্টারে যাঁরা রয়েছে, তাঁদের খাওয়ার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। মূলত বিডিও অফিস থেকে তাঁকে খাবার দিতে বলা হয়েছিল।

সব হোল্ডিং সেন্টারেই আপাতত সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এ বেশিদিন চলবে না বলেও জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী। তাঁর সাফ কথা, ” সরকার যখন ব্যবস্থা নেবে, কোনও দিকে তাকাবে না। সরকার কেন ওঁদেরকে খাওয়াবে? প্রথম ডিম-মাছ-ভাত হবে, তারপর ডিম বাদ যাবে, শাক-ভাত হবে, তারপর শাক বাদ যাবে, ভাত হবে। শেষে ভাতও বাদ যাবে, ডান্ডা পড়বে। এই লক্ষ লক্ষ লোককে খাওয়ানোর দায়িত্ব আমাদের সরকারের নয়।”

এক্ষেত্রে দিলীপ পাকিস্তানের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি বলেন, “যদি পাকিস্তান থেকে ৬ লক্ষের বেশি আফগানিস্তানি ফেরত যেতে পারে, একটা মুসলিম দেশ থেকে আরেক মুসলিম দেশে। এখানে তো ওঁরা (বাংলাদেশি) অবৈধভাবে এসেছেন। হয় সারাজীবন জেলে থাকতে হবে, নয়তো ওখানে থাকবে, মারা যাবে। তার থেকে ভাল নিজের দেশে ফেরত যাও।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *