অভাব শুনেই ত্রাতা ঈশান, উপহারের ৬ জোড়া জুতোতে বাজিমাত সাকিবের
ক্রিকেট খেলার জুতো কেনাও ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। সাকিবের দাবি, ‘ক্রিকেটের স্পাইক জুতোর দাম ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। জুতো কিনলে খাব কোথা থেকে?’ সাকিবের মা সুবুক্তারা খাতুন জানান, ছেলের জন্য তাঁকে নিজের গয়না বিক্রি করতে হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘একদিন সাকিব এসে বলল, মা, আমার তো স্পাইক জুতো নেই। আমি কী ভাবে ক্রিকেট খেলব? তখন আমার কাছে ওটা কেনার মতো টাকা ছিল না। তাই আমাকে নিজের গয়না বিক্রি করতে হয়েছিল।’
সাকিবের বাবা আলি আহমেদ হুসেন হাঁটুতে চোট পেয়ে বেকার হয়ে পড়েন। তিনি কাজ করতে না পারায় সংসারে আর্থিক চাপ আরও বেড়ে যায়। সাকিব সংসার চালাতে খেপ খেলতেন। টেনিস বলের ক্রিকেট খেলে তিনি প্রতিটা ম্যাচে ৩০০ টাকা করে পেতেন। আর এই ম্যাচগুলো খেলার জন্য রাস্তার পাশে সস্তার জুতোগুলো পড়তেন তিনি।