হাতে লেখা ‘সদা সৌভাগ্যবতী হও’, বিয়ের ৬ মাসের মধ্যে উদ্ধার শ্বেতার ঝুলন্ত দেহ, ত্বিষা শর্মার ঘটনার ছায়া উত্তরপ্রদেশে
মৃত্যুর দুই ঘণ্টা আগে বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন শ্বেতা। ফোন করেছিলেন বোনকেও। কিন্তু সেই সময়ে তাঁরা অস্বাভাবিক কিছু দেখেননি বলেই দাবি পরিবারের। কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যুর খবর পান তাঁরা। উমেশ, কোমলরা শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছনোর আগেই শ্বেতাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ঘটনার পরেই লখনউ পুলিশের কাছে শ্বেতার শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর বাবা উমেশ।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ত্বিষা শর্মার মৃত্যু ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। পণের দাবিতে প্রাক্তন মিস পুনেকে খুন করা হয়েছে বলে শ্বশুরবাড়ির দিকে আঙুল তুলেছিলেন তাঁর মা-বাবা। পাল্টা ত্বিষা মাদকাসক্ত ছিলেন অভিযোগ তাঁর শ্বশুরবাড়ির। এই নিয়ে টানাপড়েনের জেলে মামলা গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। ত্বিষা মৃত্যু মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সেই ঘটনার রেশ কাটার আগেই শ্বেতার মৃত্যুর ঘটনা সামনে এল।