Arup-Susanta give resign: ‘বড় বড় মন্ত্রীরা Z প্লাস নিয়ে ঘুরতেন এখন কই? কেষ্ট-বিষ্টুরা কই?’, পদ ছাড়ার পর প্রশ্ন অরূপ-সুশান্তদের | Arup chakraborty and Susanta ghosh attack some tmc leader after giving resign from all post
অরূপ চক্রবর্তী ও সুশান্তর বৈঠক
Image Credit: Tv9 Bangla
কলকাতা: কলকাতা পুরনিগমের গুরুত্বপূরণ পদ ছাড়লেন তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ এবং অরূপ চক্রবর্তী। জানা যাচ্ছে, ১২ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সুশান্ত। পাশাপাশি ‘মিউনিসিপ্যাল অ্যাকাউন্টস কমিটির’ পদ ছাড়ছেন অরূপ চক্রবর্তী। এর আগে ৯ নম্বর বোরো চেয়ারম্যানের পদ ছেড়েছিলেন দেবলীনা।
কেন পদ ছাড়লেন সুশান্ত-অরূপরা? কী কী বললেন একনজরে?
সুশান্ত ঘোষ: অন্য় রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এসেছে। যাঁদের মানুষ ক্ষমতায় এনেছেন তাঁদের কাজ করতে দেওয়া উচিত। এখনও আমরা পরিষেবা দিচ্ছি। তাঁদের জন্যই কাউন্সিলর পদ রেখে দিলাম।
সুশান্ত ঘোষ: এই রেজাল্ট কাম্য ছিল না। আমার ওয়ার্ডে প্রায় ১৫০ ছেলে পাড়া ছাড়া। গত কয়েকদিনে যে সকল বড় বড় মন্ত্রীরা Z প্লাস-Y প্লাস নিয়ে ঘুরে বেড়াতে তাঁদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। এক-একজনের বড় বড় জেলার দায়িত্ব ছিল। এদের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ঘেঁষতে পারতাম না। বিজেপিকে ধন্যবাদ। ওদের জন্য অনেককে ঘরে ফেরাতে পেরেছি। বাকিদের ফিরিয়ে আনলে আমাদের দায়িত্ব শেষ।
সুশান্ত ঘোষ: আমি এখনও দলের কর্মী। দল আন্দোলনের ডাক দিলে এখনও আছি।
অরূপ চক্রবর্তী: দল মানে কারা? মমতাদি অভিষেক ছাড়া বাকি নেতৃত্ব কই? বাকি কেষ্টু-বিষ্টুরা কই?যাঁদের কনভয়ের আগে চারটে পাঁচটা করে গাড়ি থাকে? তাঁরা কই। আজ জনাদেষ আমাদের বিপক্ষে গেছে আমাদের মানতে হবে। হার স্বীকার করতে হবে। ছাব্বিশের হার না মানা মানে বাকি জয়গুলো মিথ্যা হয়ে যায়। এটাই মানতে হবে। গণতন্ত্রে মানুষের রায় মান্যতা দিতে হবে।
অরূপ চক্রবর্তী: আমি কয়েকটা পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি। কেউ ক্ষমতায় সারাজীবন ক্ষমতায় থাকবে না। সিপিএম ভেবেছিল থাকবে এখন নেই। মমতার বাড়িতে রবীন্দ্র-জয়ন্তী অনুষ্ঠান হচ্ছে, তখন সেই সেলিব্রেটিরা কোথায়? নিচুতলার কর্মীরা মুখ বুজে দাঁড়িয়েছি।
অরূপ চক্রবর্তী: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ হেরেছেন। কিন্তু মমতাদিকে মূল্যায়ন করার ধৃষ্টতা আমাদের নেই। ওঁর প্রতি এখনও মানুষের আবেগ আছে।
সুশান্ত ঘোষ: কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা নেতারা এখন কোথায়? গত পনেরো বছর দলের সঙ্গে লড়েছি। ২০ সালে আমার উপর আক্রমণ হয়। চব্বিশ সালে আক্রমণ হয়। অবাক ব্যাপার, আমার সরকার ঠিকল করে তদন্ত করেনি। অদ্ভুত ভাবে প্রধান দুষ্কৃতীর জামিন হয়। আমি নিজের পার্সোনাল আইনজীবীর সাহায্য় নিয়ে বাকি অভিযুক্তদের আটকে রেখেছি। নতুন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব এই তদন্তটা দেখতে।