ঈদে ফুরফুরাতে গোহত্যা বন্ধ করে শুভেন্দুর নির্দেশকে স্বাগত জানাল ত্বহা - 24 Ghanta Bangla News
Home

ঈদে ফুরফুরাতে গোহত্যা বন্ধ করে শুভেন্দুর নির্দেশকে স্বাগত জানাল ত্বহা

Spread the love

হুগলি: বকরি ঈদের ঠিক আগে রাজ্যে কুরবানি এবং (Toha Siddiqui)গো হত্যা নিয়ে নতুন সরকারের নির্দেশিকা এবং আদালতের অবস্থানের মধ্যে ফুরফুরা শরীফের প্রভাবশালী পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী একটি স্পষ্ট বার্তা …

হুগলি: বকরি ঈদের ঠিক আগে রাজ্যে কুরবানি এবং (Toha Siddiqui)গো হত্যা নিয়ে নতুন সরকারের নির্দেশিকা এবং আদালতের অবস্থানের মধ্যে ফুরফুরা শরীফের প্রভাবশালী পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমরা আইন মেনে চলব। আদালতের নির্দেশ মাথা পেতে নিয়েছি। কিন্তু আইন সবার জন্য সমান হতে হবে। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান সবার জন্য একই আইন।”সম্প্রতি রাজ্য সরকার ওয়েস্ট বেঙ্গল অ্যানিমাল স্লটার কন্ট্রোল অ্যাক্ট ১৯৫০ কঠোরভাবে প্রয়োগের নির্দেশ জারি করেছে।

এতে গরু, বলদ, বাছুর বা মহিষ কুরবানির আগে সরকারি সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টও এই নির্দেশিকায় হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে যে গো-কুরবানি ঈদের অপরিহার্য অংশ নয়। এই প্রেক্ষিতে ত্বহা সিদ্দিকীর বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে।ত্বহা সিদ্দিকী বলেন, “এবার আমরা আদালতের আদেশ স্বাগত জানিয়েছি। আইন মেনে চলব। কিন্তু আইন যেন একজনের জন্য একরকম আর অন্যজনের জন্য আরেকরকম না হয়।

আরও দেখুনঃ ‘একজন বাংলাদেশি সীমান্তে মরলে দুজন BSF র প্রাণ যাবে!’ হুঁশিয়ারি জামাত নেতার

সব ধর্মের মানুষের জন্য আইন সমান হওয়া উচিত।” তিনি আরও যোগ করেন যে, গত বছরগুলোর মতোই ঈদ উদযাপন করা হবে, তবে এবার গো-কুরবানি এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে।ফুরফুরা শরীফের মতো প্রভাবশালী দরগার পীরজাদার এই অবস্থান রাজ্যের মুসলিম সমাজে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দারা বলছেন, “পীরজাদা যা বলছেন, তা মেনে চললে শান্তি বজায় থাকবে।

আমরা তো শান্তিতে ঈদ করতে চাই। গরুর বদলে ছাগল বা অন্য পশু দিয়েই কুরবানি সম্পন্ন করা যায়।” অনেকে মনে করছেন, এই আহ্বান অশান্তি এড়ানোর পাশাপাশি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।অন্যদিকে, হিন্দু সমাজের একাংশ এই বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, “দীর্ঘদিন ধরে গো-হত্যা নিয়ে সংবেদনশীলতা চলে আসছে। এবার নতুন সরকার আইনের প্রয়োগ করছে। যদি সত্যিই আইন সবার জন্য সমান হয়, তাহলে সমস্যা মিটে যাবে।”

কিন্তু কিছু মহলে প্রশ্ন উঠছে যেখানে গো-রক্ষা নিয়ে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতি রয়েছে, সেখানে আইনের সমান প্রয়োগ কতটা নিশ্চিত করা সম্ভব?রাজ্যের নতুন প্রশাসনের অধীনে এই প্রথম বকরি ঈদ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, আইন লঙ্ঘন করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশ ও প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকা ও গ্রামীণ অঞ্চলে টহল বাড়ানো হয়েছে। পশু হাটগুলোতে নজরদারি চলছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *