দিল্লি জিমখানা ক্লাব মামলা, হাইকোর্টে কী জানাল কেন্দ্র?
প্রসঙ্গত, নোটিস পাওয়ার পরে জিমখানা ক্লাব কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি চিঠিও পাঠিয়েছিল। চিঠিতে বলা হয়েছিল, হঠাৎ করে উচ্ছেদ করা হলে ক্লাবের কর্মী ও সদস্যরা সমস্যায় পড়বেন। সঙ্গে ক্লাব কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, পুনর্বাসনের জন্য কোনও বিকল্প জমি দেওয়া হবে কিনা। লুটিয়েন্স দিল্লির এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবে দেশের বড় বড় আমলা, কূটনীতিবিদ, সামরিক প্রধান এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা যাতায়াত করেন। চিঠিতে আরও জানানো হয়েছে, জিমখানা ক্লাবে বর্তমানে ১৪ হাজারেরও বেশি সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া ওই ক্লাবে ৫০০ জন কর্মী রয়েছেন। সেখানে নিয়মিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। তাই হঠাৎ জমি কেড়ে নিলে বহু মানুষের উপর তার প্রভাব পড়তে পারে।