Holding Centre: ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই একে একে ধরে ঢোকানো শুরু হল অনুপ্রবেশকারীদের! | 3 Infiltrators Kept at Murshidabad Holding Centre After Nabanna Directive
মুর্শিদাবাদের হোল্ডিং সেন্টারImage Credit: TV9 Bangla
মুর্শিদাবাদ: নবান্নের নির্দেশিকার পরই জেলায় জেলায় তৈরি হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। মুর্শিদাবাদের হোল্ডিং সেন্টারে তিন অনুপ্রবেশকারী। লালগোলার পদ্মাভবনে তৈরি এই হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে এই তিন জনকে। পদ্মা ভবন আসলে এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ীদের থাকা-খাওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ওই ভবনের এক তলায় মৎস্যজীবীরা থাকেন। দ্বিতীয় তলাটি একটি ব্যাঙ্কে ভাড়া দেওয়া রয়েছে। তিন তলা হোল্ডিং সেন্টার হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩ জন অনুপ্রবেশকারীকে রাখা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
ভবনের বাইরে থেকে দেখা যায়, তিন তলার ঘরে আলো-পাখা সবই জ্বলছে। TV9 বাংলার প্রতিনিধি যখন ভবনের বাইরে. তখনই একজন অনুপ্রবেশকারীদের খাবার দিতে ঢুকছিলেন ওই ভবনে। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি সরাসরি বলেন, “এখানে ওই যাঁদের বাড়ি বাংলাদেশে, তাঁদের রাখা হয়েছে। আমাকে বিডিও অফিস থেকে বলা হয়েছে, দুবেলা খাবার দিতে।” তিনি হোম সার্ভিস চালান। তবে ঠিক কতদিন খাবার দিতে হবে, সে ব্যাপারে তাঁকে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। আপাতত তিন জনেরই খাবার তিনি দিচ্ছেন বলে জানান। তাঁর সঙ্গে আরও ২ জন রয়েছে। হোল্ডিং সেন্টারের বাইরে তালা বন্ধ করা হয়েছে। বাইরে প্রহরারত সিভিক ভলান্টিয়র।
রবিবারই নবান্নের তরফে নির্দেশিকা জারি করা হয়। বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরি করতে হবে। ওই সমস্ত ‘হোল্ডিং সেন্টার’-এ সন্দেহভাজনদের আটক করে ৩০ দিন রাখা যাবে। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃতেরা তো বটেই, যাঁরা এর আগে ধরা পড়েছিলেন এবং বন্দি ছিলেন, যাঁদের দেশের বাইরে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে, তাঁদেরও সেখানে রাখা যাবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। বিএসএফ তাঁদের সংশ্লিষ্ট দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ করবে। শুভেন্দুর ঘোষণার পর রাজ্য সরকারের তরফেও নির্দেশিকা জারি করে দেওয়া হল।
২০২৫ সালের ২ মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ফরেনার্স ডিভিশনের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে একটি আট পাতার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। তাতে অনুপ্রবেশকারীদের রাখার জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির কথাও বলা হয়েছিল।