VIRAL VIDEO: ১৫০০ টাকা পেনশন পেতে বৌমার পিঠে চেপে নদী-জঙ্গল পেরতে হয় ৯০-র বৃদ্ধাকে! | Viral Video: 90 Year Old Woman Carried on Daughter in Law’s Back for Rs 1500 Pension crossing River & Forest in Chhattisgarh
বৃদ্ধা শাশুড়িকে নিয়ে এতটা পথ পেরোন এই মহিলা।Image Credit: X
রায়পুর: বয়স ৯০ পেরিয়েছে, হাঁটাচলার ক্ষমতা নেই আর। তবে পেট তো চালাতে হবে। পেনশন পান ঠিকই, কিন্তু তার জন্য ব্যাঙ্কে যেতে হবে নিজেকে। তাই ভরসা বউমা। পিঠে কাপড় দিয়ে বেধে শাশুড়িকে প্রতি মাসে ব্যাঙ্কে নিয়ে যান বউমা। তবে বাড়ি থেকে ব্যাঙ্কের দূরত্ব যে খুব একটা কম, তা নয়। নয় কিলোমিটার পায়ে হেঁটেই যেতে হয় ব্যাঙ্কে।
প্রখর রোদে নবতিপর বৃদ্ধা শাশুড়িকে পিঠে বেঁধে জঙ্গলের মাঝখান দিয়ে, পাথুরে রাস্তা ও নদী পেরিয়ে ওই মহিলা ব্যাঙ্কে পৌঁছন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তবে ছত্তীসগঢ়ের প্রত্যন্ত এলাকায় এটাই বাস্তব ছবি।
मैनपाट के कुनिया जंगलपारा की ये तस्वीर कई सवाल छोड़ जाती है।
90 वर्षीय बुजुर्ग महिला को हर महीने बैंक तक पहुंचाने के लिए बहू को 9 किलोमीटर तक पीठ पर उठाकर ले जाना पड़ता है।जहां एक ओर बहू अपने फर्ज और ममता की मिसाल पेश कर रही है, वहीं दूसरी ओर सिस्टम की लाचारी और जमीनी हकीकत साफ… pic.twitter.com/NjCgxWinfU
— Kamlesh Kumar 🇮🇳 (@KamleshKDiwan) May 23, 2026
এই ভিডিয়োটি ছত্তীসগঢ়ের সুরগুজা জেলার মৈনপট অঞ্চলের। জানা গিয়েছে, ওই মহিলার নাম সুখমানিয়া বাই। তিনি নিজের বৃদ্ধা শাশুড়িকে পিঠে বেঁধে নয় কিলোমিটার নিয়ে যান ব্যাঙ্কে, যাতে ওই বৃদ্ধা নিজের পেনশনটুকু পান। মাসের পর মাস ধরে তিনি এই কাজ করছেন। ব্যাঙ্কের কাছে অনুরোধ করেও কোনও লাভ হয়নি, কারণ পেনশন পাওয়ার জন্য গ্রাহককে ব্যাঙ্কে সশরীরে উপস্থিত থেকে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে ভেরিফিকেশন করাতে হয়। নাহলে পেনশনের টাকা পাওয়া যায় না। ভিডিয়োতেও তিনি এই কথাই বলেছেন।
ওই মহিলা আরও জানান যে এলাকায় কোনও পরিবহন ব্যবস্থা নেই। তাঁকে নদী ও জঙ্গল পেরিয়ে আসতে হয়। এত কষ্টের পর কত টাকা পেনশন পান? মাত্র ১৫০০ টাকা। কোনও কোনও মাসে আবার সেটাও পান না। একসঙ্গে দুই-তিন মাসের পেনশন দেওয়া হয় পরে।
তিনি অভিযোগ করেন, আগে পেনশনের টাকা এলাকাতেই দিয়ে আসা হত। কিন্তু এখন আর সেই সুবিধা পাওয়া যায় না। তাই বৃদ্ধা শাশুড়িকে নিয়ে এত দূর কষ্ট করে নিয়ে যেতে হয় প্রতি মাসে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় নেই বললেই চলে। জঙ্গল ঘেরা এই পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াতের জন্য পায়ে হাঁটা ছাড়া উপায় নেই।