প্রধানরা বেপাত্তা, অচলাবস্থা পঞ্চায়েতে, খালি হাতে ফিরছেন স্থানীয়রা - 24 Ghanta Bangla News
Home

প্রধানরা বেপাত্তা, অচলাবস্থা পঞ্চায়েতে, খালি হাতে ফিরছেন স্থানীয়রা

Spread the love

প্রশান্ত ঘোষ, ভাঙড়

রাজ্যে পালাবদল ঘটলেও ভাঙড়ের বেশিরভাগ গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতি এখনও তৃণমূলের দখলে। কিন্তু বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পরে তৃণমূল পরিচালিত অধিকাংশ নির্বাচিত সদস্যরা এলাকায় নেই। কেউ আবার ভয়ে ঘর থেকেই বেরোচ্ছেন না। এর ফলে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের কাজকর্ম কার্যত শিকেয় উঠেছে। বিভিন্ন দরকারে পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে নাগরিকদের।

ভোটের ফল প্রকাশের পরে ইতিমধ্যেই নতুন সরকার কাজ শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু ভাঙড়, ক্যানিং পূর্ব, সোনারপুর–সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বেশিরভাগ পঞ্চায়েত অফিসে জনপ্রতিনিধিদের দেখা নেই। এ বার বিধানসভা ভোটে ক্যানিং পূর্ব ও পশ্চিম, বারুইপুর পূর্ব ও পশ্চিমে তৃণমূল জিতেছে। তা সত্ত্বেও সেখানকার ছোট, বড়, মাঝারি মাপের সব তৃণমূল নেতাই এখন গা ঢাকা দিয়েছেন, নয় তো স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি। ভাঙড়ের বেওতা ১ ও ২, ভোগালি ও শানপুকুর পঞ্চায়েতের দখল নিয়েছে আইএসএফ। কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে তালা মারার ঘটনাও ঘটেছে।

বিডিও–র হস্তক্ষেপে বেশ কিছু পঞ্চায়েত অফিসের তালা খোলার পরে সরকারি কর্মীরা আসতে শুরু করলেও হামলার ভয়ে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা আসছেন না। তাতে সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ। জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র, ওয়ারিশন সার্টিফিকেট, রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট, আয়ের শংসাপত্র পেতেও প্রধানের সাহায্য লাগে। শুধু তাই নয়, পঞ্চায়েত অফিসের কর্মীদের বেতন পাওয়ার ক্ষেত্রেও প্রধানের সই লাগে।

ভোগালি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের এক কর্মী বলেন, ‘ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই কঠিন পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েতগুলো। এই মাসে বেতন পাব কি না, জানি না।’ আইএসএফের জেলা পরিষদ সদস্য রাইনুর হক বলেন, ‘তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানরা নানা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। জনরোষের ভয়ে পঞ্চায়েতে আসছেন না।’ তৃণমূল পরিচালিত ভাঙড়-২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আব্দুর রহিম বলেন, ‘সাধারণ মানুষ যেন সরকারি পরিষেবা থেকে কোনও ভাবে বঞ্চিত না হন এবং এলাকার উন্নয়ন যেন বিঘ্নিত না হয়, সেটা প্রত্যেকের দেখা দরকার।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *