তিন জেলা পাচ্ছে মেডিক্যাল কলেজ, প্রশাসনকে জমি খোঁজার নির্দেশ রাজ্যের
আলিপুরদুয়ারের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘মানবিক মুখ’-এর সম্পাদক রাতুল বিশ্বাস বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আলিপুরদুয়ারে একটি আধুনিক মানের হাসপাতাল তৈরির দাবি জানিয়ে আসছিলাম। তাতে শুধু জেলার মানুষই নন, নিম্ন অসম ও প্রতিবেশী দেশ ভুটানেরও বহু মানুষ উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রীর শনিবারের ঘোষণার পর ফের নতুন করে আশায় বুক বাঁধতে শুরু করলাম।’ এতদিন চা বাগান অধ্যুষিত আলিপুরদুয়ারে চিকিৎসা পরিষেবার কাঠামো দাঁড়িয়ে ছিল বীরপাড়া রাজ্য সাধারণ হাসপাতাল, ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি ও জেলা হাসপাতালের উপর নির্ভর করে। উন্নত চিকিৎসার জন্য মানুষকে ছুটতে হতো কলকাতা কিংবা দক্ষিণ ভারতে। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিয়া বলেন, ‘আমরা কথা দিলে যে কথা রাখি, শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর বার্তাতেই তা স্পষ্ট হয়েছে। আশা করছি দ্রুত রাজ্য সরকার ওই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল গড়ার কাজে হাত দেবে।’ জানা গিয়েছে, এক মাসের মধ্যেই ন্যশনাল হেল্থ মিশনের আধিকারিকদের একটি দল প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল তৈরির প্রয়োজনীয় জমি ও পরিকল্পনা রূপায়নের জন্যে তিন জেলায় আসবেন। শুভেন্দুর এদিনের ঘোষণায় প্রত্যাশা পূরণের আনন্দ দক্ষিণ দিনাজপুরে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রত্যুষ ও ইকো ফ্রেন্ডস অর্গানাইজেশনের সম্পাদক কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন, ‘আমরা প্রথম থেকেই বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজ তৈরি জন্য আন্দোলন করছি। কারণ বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল চত্বরেই মেডিক্যাল কলেজ তৈরির জন্য পর্যাপ্ত জমি রয়েছে। বালুরঘাটে মোট ৩৩.৭২ একর জমি রয়েছে। আজ মুখ্যমন্ত্রী মেডিক্যাল কলেজের প্রস্তাব কেন্দ্রকে পাঠিয়েছেন। দীর্ঘদিনের আন্দোলন এবার বাস্তব রূপ পেতে চলেছে।’ এই ঘোষণায় বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি বলেন, ‘ভোটের সময়ে অভিষেক বলেছিলেন, বালুরঘাটে তৃণমূল জিতলে মেডিক্যাল কলেজ হবে। সেই সময়ে আমি বলেছিলাম, বালুরঘাটে বিজেপি জিতবে এবং আমরাই মেডিক্যাল কলেজ করব। আমরা যা বলি তার কথা রাখি।’