ফলতায় ১ লক্ষ ভোটে জিতেই পুষ্পার খোঁজে শুভেন্দু - 24 Ghanta Bangla News
Home

ফলতায় ১ লক্ষ ভোটে জিতেই পুষ্পার খোঁজে শুভেন্দু

Spread the love




suvendu-adhikari-falta-bjp-victory-nandigram-rally

নন্দীগ্রাম: বিজেপির ঐতিহাসিক ফলতা জয়ের পর নন্দীগ্রামে আগুন ঝরালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ফলতায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডার এক লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়কে ‘ঐতিহাসিক’ বলে বর্ণনা করে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। সভায় উপস্থিত হাজার হাজার জনতার সামনে শুভেন্দু বললেন, “ফলতায় বিজেপি জিতেছে এক লাখ ভোটে। ‘পুষ্পা’ এখন কোথায়? জাহাঙ্গীর খান কোথায়? শুভেন্দু অধিকারী আজই তার এক্স হ্যান্ডেলে বলেছিলেন ডায়মন্ডহারবার মডেল আজ তৃণমূলের হারবার মডেল।

– Advertisement –

শুভেন্দু বলেন তৃণমূলের সেই দম্ভ, সেই অহংকার আজ শেষ হয়ে গেছে।”নন্দীগ্রামের বিশাল জনসভায় শুভেন্দু অধিকারী যেন আগুনের ঝড় তুললেন। তিনি বলেন, “ফলতা একসময় তৃণমূলের দুর্গ ছিল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবারের পাশের এই কেন্দ্রে তাঁরা প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পেতেন। আজ সেখানে তৃণমূল চতুর্থ স্থানে নেমে গেছে। এটা শুধু একটি উপনির্বাচনের ফল নয়, এটা বাংলার মানুষের রায়। মানুষ ভয়ের রাজনীতি আর সন্ত্রাস চায় না।”শুভেন্দু আরও বলেন, “তৃণমূল নেতারা ‘পুষ্পা’ সিনেমার ডায়লগ দিয়ে হুমকি দিতেন।

আরও দেখুনঃ ডিটেনশন শুরু! হাওড়ার জগাছা থেকে গ্রেফতার বাংলাদেশি দম্পতি

আজ সেই ‘পুষ্পা’র কোনো খোঁজ নেই। ফলতার মানুষ জবাব দিয়ে দিয়েছে। এটা শুরু মাত্র। এবার একের পর এক আসনে এমন ফল হবে। বাংলা পরিবর্তন চায়।”নন্দীগ্রামের সভায় উপস্থিত জনতা শুভেন্দুর প্রতিটি কথায় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। ফলতার পুনর্নির্বাচনে বিজেপির এই বড় জয় রাজ্য রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রথম কয়েক রাউন্ড গণনাতেই দেবাংশু পান্ডা বিপুল লিড নেন এবং শেষ পর্যন্ত প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।

তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান চতুর্থ স্থানে নেমে যাওয়ায় দলের অন্দরে চাঞ্চল্য বেড়েছে। সুবেন্দু অধিকারী এদিন আরও বলেন, “তৃণমূলের আমলে বাংলায় ভয়ের রাজনীতি চলত। বুথ জবরদখল, অনিয়ম, হিংসা এগুলোই ছিল তাদের অস্ত্র। কিন্তু মানুষ এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলতা তার প্রমাণ। এখন থেকে প্রতিটি নির্বাচনে মানুষ তাদের ভয় দেখাবে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *