Shamik Bhattacharya: বাংলায় কবে আসবে বকেয়া বরাদ্দ? সীতারমনের সঙ্গে বৈঠক শমীকের | Bengal BJP Chief Shamik Bhattacharya Meets Nirmala Sitharaman Over Central Dues
নির্মলা সীতারমন-শমীক ভট্টাচার্যImage Credit: Tv9 Bangla
নয়া দিল্লি : বাংলায় এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার। তার সুফল কি পাবে বঙ্গবাসী? ক্ষমতায় এসেই অন্নপূর্ণা ভান্ডার (Annapurna Bhandar) থেকে ডিএ (DA)-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তবে,কেন্দ্রীয় বকেয়ার (Central Dues) কী হবে? বাংলার অর্থনীতির ভবিষ্যতও বা কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই আবহেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। জানা গিয়েছে, রাজ্যের দাবিদাওয়া নিয়েই মূলত দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
শমীক-সীতারমন বৈঠকে কী কী আলোচনা
দিল্লিতে গিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টচার্য। প্রায় তিনদিন ধরে রাজধানীতে রয়েছেন। আজ সকালে নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। জানা গিয়েছে, বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথা হয়েছে। সূত্রের খবর, বাংলার অর্থনীতি নিয়ে রাজ্যের কী কী পদক্ষেপ করা উচিত এই মুহূর্তে সেই বিষয়েও কথা হয়েছে। তবে, বৈঠকের সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে অংশ, সেটা হল কেন্দ্রীয় বকেয়া। হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা যে বকেয়া রয়েছে, তা তৃণমূল জমানায় পাওয়া যায়নি। শুধু তাই নয়, তৃণমূল জমানায় কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম পরিবর্তন থেকে তাতে দুর্নীতিরও অভিযোগ উঠেছিল। সূত্রের খবর, বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, প্রত্যেকটা ক্ষেত্রকে শোধরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই বিষয়গুলি অর্থমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।
সূত্রের খবর, অর্থমন্ত্রী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতির আলোচনায় আলাদা করে গুরুত্ব পেয়েছে তাঁত শিল্প এবং টেক্সটাইল হাব। এই বিশেষ সেক্টর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক সূত্রে খবর, শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করলেও বাংলার বকেয়া-সহ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ করা হবে সে বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন নির্মলা সীতারমন।
শমীক ভট্টাচার্য কী বললেন?
সীতারমনের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “৫০ বছরে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পকে কার্যত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ এখন পরিযায়ীদের রাজ্য হয়ে গিয়েছে। পরিযায়ী হয়েই সবাই বাইরে চলে যাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আমাদের মহারাষ্ট্র, কর্নাটক ও তামিলনাড়ুর সঙ্গে একই পংক্তিতে দাঁড়াতে হবে। প্রধানমন্ত্রী সোনার বাংলা তৈরির কথা দিয়েছেন। আমরা সোনার বাংলা তৈরি করব। পশ্চিমবঙ্গের এই অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে কীভাবে উত্তরণের পথ দেখানো যায়, সেই সম্পর্কে তিনি অবহিত রয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, পশ্চিমবঙ্গকে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব।”
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের মধ্যে সম্প্রতি জল জীবন মিশনের মৌ স্বাক্ষর হয়েছে। এই চুক্তি স্বাক্ষরের পরই শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “ডবল ইঞ্জিন সরকারের কাজ শুরু হল। বাংলার জনগণ ডবল ইঞ্জিন সরকার তৈরি করতে সাহায্য করেছেন। অনেকে বলেছেন আমাকে যে কেন্দ্র এত টাকা দিচ্ছে । কিন্তু কোনও কাজ হচ্ছে না। ফলে এই সরকার যৌথভাবে যে ভাবে কাজ করতে শুরু করছে তাতে বাংলার মানুষ উপকৃত হবেন।”