সীমান্তে খুঁটি পুঁততে বাধা বিজিবি-র, প্রশ্ন
দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্তে জিরো পয়েন্ট এই কাঁটাতার হবে। সেই অনুযায়ী এ দিন জিরো পয়েন্ট থেকে ৫০ ফুট পর্যন্ত জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছিল। এ নিয়ে বাংলাদেশিরা প্রথমে বাধা দিতে আসে। তার পরে বিজিবি এসে বিএসএফ ও সরকারি আমিনদের জমি অধিগ্রহণে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। যদিও বাধা উপেক্ষা করে জমি অধিগ্রহণ চলে। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে দু’পক্ষের মধ্যে বাক্য বিনিময় হয়। বিকেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিএসএফ জওয়ানরা বন্দুক উঁচিয়ে কঠোর মনোভাব দেখান। মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায় বলেন, ‘সীমান্তের জমি জরিপের সময়ে বিজিবি বাধা দিয়েছে বলে জানতে পেরেছি। পাল্টা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে সেখানে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। যে কোনও পরিস্থিতিতে সীমান্ত সুরক্ষা করতে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হবে।’ জানা গিয়েছে, বাদানুবাদের সময়ে বিজিবি দাবি করে, সীমান্তে খুঁটি পোঁতার আগে তাঁদের জানাতে হবে এবং বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি নিতে হবে। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় এ দিনের মতো কাজ বন্ধ করে ভূমি দপ্তর।