লাল-হলুদকে ভারত সেরা করে নেটমাধ্যমে কী লিখলেন রশিদ?

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: গত বৃহস্পতিবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব। বাইশ বছর অপেক্ষার পর ফের সর্বভারতীয় লিগ জয়। বর্তমানে সেই নিয়েই মাতোয়ারা লাল-হলুদ সমর্থকরা। মিগুয়েল ফেরেইরা থেকে শুরু করে মহম্মদ রশিদদের এই লড়াই মনের মণিকোঠায় থেকে যাবে ভক্তদের। তবে লড়াইটা সহজ ছিল না। হাইভোল্টেজ ডার্বি ম্যাচে এগিয়ে থেকে ও আসেনি জয়। তারপর টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে মাস্ট উইন ম্যাচ ছিল ময়দানের এই প্রধানের। তবে সেখানে ও কঠিন হয়ে উঠেছিল ম্যাচ।
– Advertisement –
ম্যাচের প্রথমার্ধে আলফ্রেড প্লানাসের গোলে পিছিয়ে গিয়েছিল মশাল ব্রিগেড। যা নিঃসন্দেহে চাপে ফেলে দিয়েছিল সকলকে। প্রথমার্ধের শেষে এক গোলে পিছিয়ে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল শোধ করে দলকে সমতায় ফিরিয়ে এনেছিলেন ইউসেফ ইজ্জেজারি। ম্যাচে ফিরে আসার পর থেকেই আত্মবিশ্বাস বাড়তে শুরু করেছিল দলের ফুটবলারদের। তারপর ৭২ মিনিটের মাথায় বিপিন সিংয়ের অনবদ্য ক্রস থেকে আলতো ছোঁয়ায় বল গোলে ঠেলে দিয়ে যান প্যালেস্টাইনের তারকা ফুটবলার মহম্মদ রশিদ। শেষ পর্যন্ত একটি গোলেই আসে জয়।
আরও পড়ুন: আইপিএল-সহ ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা বিজয় শঙ্করের
যারফলে বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সর্বভারতীয় স্তরের ট্রফি আসে লেসলি ক্লডিয়াস সরণীতে। বলাবাহুল্য, এবারের সুপার কাপের টাইব্রেকারে সহ সুযোগ নষ্ট করেছিলেন রশিদ। না হলে অনায়াসেই সেই ট্রফি চলে আসতো ঘরে। কিন্তু সেটা হয়নি, সেই হতাশা কাটিয়ে এবার দলকে জেতালেন ইন্ডিয়ান সুপার লিগ। পরবর্তীতে নিজের সোশ্যাল সাইটে এই সাফল্যের প্রসঙ্গে লেখেন, ‘ আমি যখন জানি এর মাধ্যমে আমি আমার পরিবারকে গর্বিত করছি, তখন কীভাবে আমি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই না করে, ব্যথা ও আঘাত নিয়ে না খেলে এবং প্রতিটি ম্যাচ জেতার জন্য আমার সেরাটা না দিয়ে থাকতে পারি।’ তাঁর এমন মন্তব্য যথেষ্ট নজর কেড়েছে সকলের।