মোহনবাগানের গাজোয়ারি? জাতীয় দলের লন্ডন যাত্রার আগেই ৭ ফুটবলারকে ফেরাল সবুজ-মেরুন
ক্লাবের যুক্তি, ইউনিটি কাপ ফিফা উইন্ডোর মধ্যে পড়ছে না। তাই তারা জাতীয় দলের জন্য খেলোয়াড় ছাড়তে বাধ্য নয়। পাশাপাশি দীর্ঘ মরশুমের পর খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রয়োজন রয়েছে বলেও মনে করছে মোহনবাগান।
ফিফা উইন্ডো নয়, চোটের ঝুঁকিতেই উদ্বেগ ক্লাবের
মোহনবাগানের দাবি, ১ জুন থেকে ফিফা উইন্ডো শুরু হবে। তার আগে যদি কোনও ফুটবলার চোট পান, তা হলে তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব ক্লাবের উপরেই পড়বে। সেই ঝুঁকি নিতে ক্লাব রাজি নয়। এক ক্লাব আধিকারিক বলেছেন, ‘আমরা ফেডারেশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি, ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিতে। আর ফুটবলারদেরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ১ জুনের আগে চোট লাগলে তার দায়িত্ব ক্লাব নেবে না। এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাদেরই।’ এ ছাড়া ক্লাবের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, ফিফা উইন্ডোর বাইরে ম্যাচে খেলিয়ে যদি কেউ চোট পান, তা হলে তাঁর চিকিৎসার খরচ কে দেবে?
ফেডারেশন ও ক্লাবের সংঘাত আরও গভীর
এই ঘটনায় শুধু মোহনবাগানই নয়, কেরালা ব্লাস্টার্সও (Kerala Blasters) একই পথে হেঁটেছে। ফলে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF) এবং ক্লাবগুলির মধ্যে বিরোধ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মোহনবাগান ফেডারেশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, তারা খেলোয়াড়দের সঙ্গে সরাসরি কথা বলুক। একই সঙ্গে ফুটবলারদেরও বলা হয়েছে, ১ জুনের আগে কোনও চোট হলে তার দায় ক্লাব নেবে না। এ ছাড়া ফেডারেশনকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, যদি ফিফা উইন্ডোর বাইরে কোনও চোট হয়, তা হলে চিকিৎসার খরচ কে বহন করবে? কিন্তু এখনও কোনও স্পষ্ট উত্তর আসেনি।