বাস থেকে তোলা আদায়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার একাধিক
যদিও তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ নিয়ে তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজিত রায় বলেন, ‘আমি জেলার সাধারণ সাংগঠনিক বিষয় দেখি। এই ধরনের কোনও ঘটনার কথা আমার জানা নেই।’ বাস মালিক সংগঠনের অভিযোগ, মেচেদা সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড, তমলুক হাসপাতাল মোড়, নন্দকুমার হাইরোড, চণ্ডীপুর, হেঁড়িয়া, কাঁথি বাইপাস, কাঁথি সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড, দিঘা বাসস্ট্যান্ড এবং এগরা বাসস্ট্যান্ড-সহ জেলার অন্তত ১০টি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তোলাবাজরা সক্রিয় ছিল। মেচেদার ঘটনায় কোলাঘাটের দীপক জানা, শেখ আনোয়ার, শেখ রাজু, তমলুক থানা এলাকার শেখ জামশেদ, শেখ নজরুল, শেখ আতাউর-সহ অন্তত ১৮ জনের বিরুদ্ধে নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পূর্ব মেদিনীপুর ডিস্ট্রিক্ট বাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার বেরা।সুকুমার বলেন, ‘জেলাজুড়ে বর্তমানে প্রায় ৯০০-রও বেশি বাস চলাচল করে। যাত্রী পরিবহণ, কর্মীদের বেতন, ডিজেলের খরচ—সব মিলিয়ে এমনিতেই বাস মালিকদের উপর যথেষ্ট চাপ রয়েছে। তার উপরে বিভিন্ন জায়গায় জোর করে টাকা তোলা হচ্ছিল। বিষয়টি আমরা আগেও জেলা পরিবহণ দপ্তরকে জানিয়েছিলাম। এ বার সংগঠনের তরফে তমলুক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছি।’